স্টাফ রিপোর্টার, মহিষাদল: ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত দশটা। শীতের রাতে চাদর মুড়ি দিয়ে শয়ে শয়ে প্রবীণ থেকে নবীনরা অনুষ্ঠানের সামনে চেয়ার দখল করে বসে রয়েছে। তবে বিয়ে বাড়ি বা কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আসর নয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ” দিদিকে বলো ” কর্মসূচির অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে এলাকার রেকর্ড সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মহিষাদল ব্লকের লক্ষ্যা-২ নম্বর অঞ্চলের স্বপন মাজীর বাড়ির সামনে দলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আয়োজন করা হয়েছিলো ‘দিদিকে বলো’র এই কর্মসূচি।

এই কর্মসূচির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তিলক চক্রবর্তী, মহিলা দলনেত্রী তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিউলী দাস, লক্ষ্যা-২ অঞ্চলের তৃনমূলের সভাপতি ছবিলাল মাইতি, স্থানিয় প্রধান সীমা মাইতি, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ঘনশ্যাম দেবনাথ,তরুন মন্ডল, দীপা পন্ডা সহ ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলের সভাপতিরা। এদিন এলাকার মানুষ তাদের সমস্যা ও অভিযোগের কথাগুলো তুলে ধরেন এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

আরও পড়ুন – পঞ্চসায়র কাণ্ডে প্রথম ধর্ষণ করেছিল নাবালকই, চাঞ্চল্যকর দাবি পুলিশের

শুধু তাই নয়, সেই সমস্যা ও অভিযোগগুলিকে সুন্দর ভাবে বুঝিয়েদেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তিলক চক্রবর্তী। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী সাধারন মানুষের জন্য কি কি সাহায্য করে থাকেন তা তুলে ধরা হয় মঙ্গলবারের ওই অনুষ্ঠানে। এলাকার জনপ্রতিনিরা যদি কোনও ভুল করে থাকে তাহলে সরাসরি দিদিকে জানানোর কথাও উপস্থিত মানুষজনকে বলা হয়। দলনেত্রীর এহেন উদ্যোগে খুশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই।

এদিকে অনুষ্ঠান শেষে দেখা গেলো এক অন্য চিত্র। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো অনুষ্ঠানের পর সকলে একসঙ্গে ডাল- ভাত খাওয়ার কথাও জানানো হয়েছিলো। সেই মত উপস্থিত সকলকে নিয়ে ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। শুধু তাই নয় এদিন সাধারণ মানুষের মধ্যে খাবার পরিবেশন করতে কাজে হাত লাগান তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তিলক চক্রবর্তী, অঞ্চল সভাপতি ছবি মাইতি, স্থানীয় প্রধান সীমা মাইতি সহ এলাকার অন্যান্য ব্যক্তিরা।