কেপ টাউন: হিরে এমন একটি রত্ন যার মূল্য বাস্তবে যে কী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যার কাছে এর একটা টুকরো আছে তাকেই ধনী মনে করা হয় স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু ভাবতে পারেন যে যেই দেশ আসলে এই রত্নের ভান্ডার সেই দেশটিই আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাহলে যারা এই রত্ন আসলে তুলে আনে তারা কি কোনো উন্নতি করতেই পারেনি?

পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন হিরের ভান্ডার। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এখানকার বাসিন্দারা থাকে দারিদ্র্যসীমার নিচে। অদ্ভুতভাবে এদের যা কাজ তা তাদেরকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দিতে পারে। এর পেছনে কারণ হলো যে তাদের মূল জীবিকাই হলো খনিজ সম্পদ উত্তোলন। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান খনিজ সম্পদ হলো হিরে। বৃহত্তম মজুদের ভান্ডার এটি। কিন্তু এরপরেও তারা এতটা অনুন্নত এটাই ভাবায় সবাইকে। আসল কারণ হলো এরা হল শ্রমিক। সেই হিসেবেই তারা কাজ করে এই বৃহৎ খনিগুলিতে। বড়ো সংস্থাগুলির কর্মীরা সেখানে খনি খননের জন্যে যায়। তাই যা লাভ হয় তার বেশিরভাগ যায় সেখানকার সংস্থাগুলির মালিকদের পকেটে। আর এই শ্রমিকরা কাজ করে খুবই অল্প মজুরিতে।

আরো পোস্ট- অস্তিত্ব নেই শহরের কিন্তু আজও ঘুরে বেড়ায় মৎস্যকন্যা!

এছাড়াও আরও একটি কারণ রয়েছে এই অনুন্নতির পেছনে। এখানে ১৯৯১ সালে এমন একটি বৃহৎ গৃহযুদ্ধ হয় যার কারণে প্রায় ৫০ হাজার বাসিন্দা প্রাণ হারান। বাস্তুহারা হয়ে পড়েন প্রায় ৫ লাখ বাসিন্দা। সেই যুদ্ধ চলে ২০২০ সাল পর্যন্ত। এছাড়াও যুদ্ধের কারণে আর্থিক দিক ঠিক অনেকটা ক্ষতিসাধন হয়েছিল সেইসময়েই। প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠীর মূল কাজ হীরের খনি থেকে এই মূল্যবান সম্পদ উত্তোলন। দেশটি নিজে গরিব হলেও এর বাস্তবিক চেহারা গরিব নয়। সর্বসাকুল্যে বলা যায় যে দেশের দুর্দশা এখনো শেষ হয়নি। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে তারা যে শুধুই আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়েছে তা নয়, সামাজিক জীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এইসব দুঃস্থ ব্যক্তিদের। আর এই নাগরিকদের সেই দুরবস্থা কবে কাটবে তা নিয়ে বেশ চিন্তায় রয়েছে জনগণেরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.