বৃন্দাবন: বিখ্যাত বাঁকে বিহারীর মন্দিরে যেতে চান অনেকেই। একবার চোখে দেখে আসতে চান বিহারীজীকে। তবে অনেকেই হয়ত জানেন না, ওই মন্দিরে মূর্তির দিকে বেশিক্ষণ একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকতে দেওয়া হয় না। এর পিছনে রয়েছে এক অদ্ভুত কারণ।

বাঁকে বিহারীকে এক ঝলক দেখতে পেলেই ভক্তরা বলে ওঠেন, ‘বাঁকে বিহারী লাল কি জয়!’ চোখে জল এসে যায় ভক্তদের। হাত তুলে সবাই গাইতে থাকেন ,’গোবিন্দ মেরো হ্যায়, গোপাল মেরো হ্যায়’। মনে হয় যেন বাঁকে বিহারী তাঁদের খুব কাছের মানুষ। আবেগে ভাসেন ভক্তরা। আনন্দে গদগদ হয়ে পড়েন সবাই।

এক ভক্ত জানিয়েছেন, তিনিও একসময় ওই মন্দিরে গিয়ে সবার সঙ্গে মিশে গান গাইছিলেন। কিন্তু বাঁকে বিহারীর দিকে একনাগাড়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকতে তাঁর মনে হল ভগবান যেন তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে আছেন। যেন তাঁর ভিতরটা পড়ে ফেলছেন, জেনে ফেলছেন মনের সব কথা। এক অদ্ভুত যোগ তৈরি হতে শুরু করেছিল। যেন প্রত্যেকটা ভক্তের দিকে তাকিয়ে আশীর্বাদ করছেন বাঁকে বিহারী। সেইসময় মূর্তির সামনে পর্দা নেমে আসায় তাঁর ঘোর কেটে যায়। কিছুক্ষণ পর ফের পর্দা উঠে যায়। আবার দেখা যায় বাঁকে বিহারীকে। ফের শুরু হয় ভক্তদের গান।

কয়েক মিনিট বাদে বাদেই মূর্তির সামনে এই পর্দা নামিয়ে দেওয়া হয়। যাতে কেউ আবেগে সংজ্ঞা না হারান। মনে করা হয়, বাঁকে বিহারীর মূর্তির দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকলে হিপনোটাইজড হয়ে যান মানুষ, জ্ঞান হারাতে পারেন। সেইজন্যই ওই পর্দা টেনে দেওয়া হয়। আর বাঁকে বিহারী নাকি কখনই তাঁর ভক্তদের নিরাশ করেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।