অরুণাভ রাহারায়, কলকাতা: প্রয়াত সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেনকে অন্তিম শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার সকাল থেকেই তাঁর বাড়ি ‘ভালো-বাসা’য় ভিড় করেন অগুণিত গুণমুগ্ধরা।

নবনীতা দেবসেনের বাড়িতে যান কবি শঙ্খ ঘোষ, পবিত্র সরকার, মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়-সহ আরও বিশিষ্ট জনেরা। নবনীতা দেবসেনের বাড়িতে ভিড় করেন তাঁর ছাত্রছাত্রীরা। ‘প্রিয় নবনীতাদি’-কে শেষ দেখা দেখতে ছুটে যান বহু মানুষ।

‘ভালো-বাসা’ থেকে নবনীতার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় দীর্ঘদিনের কর্মস্থল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের সামনে খুব অল্প সময়ের জন্য রাখা হয় নবনীতা দেবীর মরদেহ। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা। ফুল নিয়ে ছুটে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত সাহিত্যিকের দুই মেয়ে নন্দনা এবং অন্তরা। তাঁরা গেয়ে ওঠেন রবিঠাকুরের গান।

এরপর শববাহী গাড়িতে নবনীতা দেবসেনের মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় বাংলা সংস্কৃতির পীঠস্থান পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমিতে। সেখানেও ভিড় করেন অগুণিত পাঠক। নিজে আসতে না পারলেও ফুলের শ্রদ্ধার্ঘ্য পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা আকাদেমির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান আকাদেমির সভাপতি শাঁওলী মিত্র। উপস্থিত ছিলেন বাংলা আকাদেমির সম্মানীয় সদস্য কবি জয় গোস্বামী-সহ আরও অনেকে। শ্রদ্ধা জানাতে আসেন কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান।

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি থেকে নবনীতা দেবসেনের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশানে। সেখানেই সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেনের শেষকৃত্য। শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে বৃষ্টি। যেন নবনীতা দেবসেনের প্রয়াণে কান্না ঝরাল আকাশ!

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।