ইয়াঙ্গন: মার্চ মাসে মায়ানমারে যখন করোনভাইরাস আঘাত হানে তখন ৩৬ বছর বয়সী মা সু তার স্যালাডের দোকান বন্ধ করে সোনা ও গয়নার দোকান দিয়েছিল। পেট তো চালাতে হবে।

এরপর ইয়াঙ্গন যখন করোনা দ্বিতীয়বার আঘাত হানে তখন ইয়াঙ্গনে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল সরকার। মা সু তার স্টলটি আবার বন্ধ করে দেন।

অবশেষে খাবারের তাগিদে নিজেদের কাপড়-জামা, বাসনপত্র নিক্রি করতে শুরু করে সে। কিন্তু একসময় তাও শেষ হয়ে যায়। অগ্যতা খাবার দরকার। বিক্রি করার মতো কিছুই না থাকায় তার স্বামী, যিনি কিনা পেশায় একজন শ্রমিক তিনি খাবারের জন্য মায়ানমারের সবচেয়ে বড় শহরের ড্রেনে শিকার ধরতে শুরু করেন।

মা সু কাঁদতে কাঁদতে জানান, “মানুষ ইঁদুর এবং সাপ খাচ্ছে”। কোনও আয় না থাকায় তাঁদের বাচ্চাদেরকে খাওয়ানোর জন্য এসব খাবার খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মা সু।

এই মা সু রেঙ্গুনের দরিদ্রতম পাড়াগুলির অন্যতম হ্লাইং থার ইয়ারে থাকে। সেখানে বেশিরভাগ মানুষ খিদে মেটাবার জন্য এই ধরনের শিকার খুঁজছে। রাতের বেলাতেও চলে শিকার ধরা।

৪০ হাজারের বেশি সংক্রমণ ও ১০০০ এর বেশি মৃত্যু নিয়ে রীতিমতো চোখে অন্ধকার দেখছে মায়ানমার। ইয়াঙ্গনে লকডাউনের জেরে মা সু-র মতো কয়েক হাজার মানুষকে কাজ ছাড়তে হয়েছে, ফলে মারাত্মক বিপদে পড়েছেন তাঁরা।

অবস্থার কথা মুখে না মানলেও ধুরিয়ে উত্তর দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসক নায় মিন তুন। তিনি জানিয়েছেন, লাইং থার ইয়ারের অংশে ৪০% পরিবার সহায়তা পেয়েছিল। কিন্তু লোকের সব কাজের জায়গা বন্ধ থাকায় মানুষজন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।