corona vaccine
কলকাতায় এসে পৌঁছল কোভ্যাকসিনের ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৪০ ডোজ৷

নয়াদিল্লি : ১৬ই জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া। প্রথম দফায় স্বাস্থ্যকর্মী ও দ্বিতীয় দফায় পুলিশ কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বুধবার কেন্দ্র জানিয়েছে পয়লা মার্চ থেকে ষাটোর্দ্ধদের ও ৪৫ বছরের ওপরে যাঁদের কোমবির্ডিটি রয়েছে তাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ১০ হাজারটি সরকারি ও ২০ হাজারেরও বেশি বেসরকারি টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হবে।

বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন প্রথম দুই দফার মত এই ক্ষেত্রেও বিনামূল্য টিকা দেওয়া হবে। তবে যারা সরকারি অনুমোদন ছাড়া যাঁরা বেসরকারি হাসপাতাল থেকে টিকা নিতে চাইবেন, তাঁদের টিকা নেওয়ার জন্য টাকা দিতে হবে। তবে এর দাম কত হবে, তা কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্র সরকার জানিয়ে দেবে। আগামী ৩-৪দিনের মধ্যেই করোনা টিকার দাম নির্ধারণ করবে কেন্দ্র বলে এদিন জানান মন্ত্রী।

এদিকে, করোনার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিল স্ট্রেনের এদেশে খোঁজ মেলার কথা স্বীকার করে নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেরল ও মহারাষ্ট্রে করোনার এই নয়া স্ট্রেনের হদিশ মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে বর্তমানে ওই দুই রাজ্যে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পিছনে নয়া এই নয়া স্ট্রেনই যে দায়ী একথা মনে করে না স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটির সদস্য চিকিৎসক ভিকে পাল জানিয়েছেন, গত বছরের মার্চ ও জুলাই মাসে করোনার এই নয়া স্ট্রেনের হদিশ মিলেছিল মহারাষ্ট্রে। কিন্তু এই স্ট্রেনের ফের ফিরে আসার কোনও প্রভাব সেই লক্ষ্য করা যায়নি। তবে এই মুহূর্তে সংক্রমণ বেড়ে চলার পিছনে নয়া স্ট্রেনকেই দায়ী করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, করোনার নয়া স্ট্রেনের মোকাবিলায় যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করেছে। এখনও পর্যন্ত দেশে ব্রিটেনের করোনা স্ট্রেনে সংক্রমিত হয়েছেন ১৮৭ জন। দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা স্ট্রেনে ৬ জন সংক্রমিত হয়েছেন। অন্যদিকে করেনাার ব্রাজিল স্ট্রেনে সংক্রমিত হয়েছেন একজন।

একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনাভাইরাসের N440K স্ট্রেনটি মূলত দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলিতেই ছড়িয়ে পড়ছে। সিসিএমবি-র অধিকর্তা ডক্টর রাকেশ মিশ্র বলেন, ‘‘আপাতত আমাদের কাছে যে প্রমাণ এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে করোনার N440K স্ট্রেন দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে আরও অনেক বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এর বিস্তারিত রূপটি সঠিকভাবে বুঝতে হলে খুব তৎপরতার সঙ্গে এর উপর নজরদারি করা দরকার।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।