ভার্জিনিয়া: যে পদ্ধতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভ দমন করতে চাইছেন তা থেকে বরং নিজেদের দূরত্বে রাখতে চাইছে পেন্টাগন।

সম্প্রতি আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশেষত জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গকে শেতাঙ্গ পুলিশ যেরকম নির্মমভাবে হত্যা করেছে তার প্রতিবাদের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভের ঘটনা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সংকটে ফেলেছে। তিনি বিক্ষোভ দমনে শক্তি প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন। এমনকি প্রতিবাদীদের ঠান্ডা করতে সেনা নামানোর হুমকি দিয়েছেন।

এমন ঘটনায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন। এভাবে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বিশেষ করে সেনা নামিয়ে বিক্ষোভ দমনের বিষয়ে পেন্টাগন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, নগর কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রাদেশিক প্রশাসকরা যদি জনগণকে ও তাদের সম্পত্তি রক্ষায় এ হেন পদক্ষেপ না নেয় তাহলে তিনি ১৮০৭ সালে গৃহীত আইন অনুযায়ী বিক্ষোভ দমনে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। অর্থাৎ তিনি বিক্ষোভ দমনে আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশ ও শহরে সেনা মোতায়েন করবেন। গণতন্ত্রের প্রবক্তা হিসেবে আমেরিকার জন্য এটা হবে নজিরবিহীন একটি ঘটনা।

প্রাদেশিক গভর্নরদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন,প্রবল শক্তিমত্তার সঙ্গে বিশৃঙ্ক্ষলা দমন করতে চান। যদিও পেন্টাগনের কোনও কোনও কর্তাকে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। তাদের যুক্তি, বিক্ষোভ দমনের সর্বশেষ কৌশল হলো সেনা মোতায়েন করা। তেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাদেশিক গভর্নরদের কাছ থেকে কোনও তথ্য-প্রমাণ এখনও পাওয়া যায় নি। আ

মেরিকার প্রাদেশিক গভর্নররা সাধারণত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, প্রশিক্ষিত বেসামরিক বাহিনী এবং ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীকেই বিক্ষোভ দমনের কাজে ব্যবহার করেন। সেনা ব্যবহারের অনুমতি তাদের নেই। কেবল প্রেসিডেন্টই তার ক্ষমতা ব্যবহার করে সেনা মোতায়েন করতে পারেন। দেশের অভ্যন্তরে সেনা মোতায়েনের বিরোধী এক প্রতিরক্ষা কর্তা স্থানীয় আইন প্রয়োগ করেই এই সমস্যা মোকাবিলার উপর জোর দিয়েছেন। এদিকে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর অনেক কর্তাও বিক্ষোভ দমনে তাদের নিয়োগ করায় অসন্তুষ্ট। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষোভ দমনে ট্রাম্পের পদক্ষেপের সমালোচনা করছেন স্বয়ং তার দল রিপাবলিকান পার্টির বহু গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এমনকি অনেক সেনেট সদস্যও।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প