রিও ডি জেনেইরো: নোভেল করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলির তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে ব্রাজিল। দেরিতে হলেও লাতিন আমেরিকার দেশটিতে সম্প্রতি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য শুরু হয়েছে ভ্যাকসিন প্রদানের পালা। আর সেই ভ্যাকসিন গ্রহণ করে দেশ-বিদেশের অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি তথা ফুটবল সম্রাট পেলে। মঙ্গলবারই কোভিডের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন বর্ষীয়ান তারকা ফুটবলার।

ভ্যাকসিন গ্রহণ করে দেশবাসী এবং অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে এক বার্তায় পেলে বলেছেন, এটা তাঁর জীবনের স্মরণীয় একটা ঘটনা। একইসঙ্গে অতিমারী এখনও থেমে যায়নি বলেও সতর্ক করেছেন পেলে। অর্থাৎ, মারণ ভাইরাসকে অবহেলা করতে নিষেধ করেছেন ফুটবল সম্রাট। পেলে জানিয়েছেন, ‘আজকের দিনটা একটা স্মরণীয় দিন। আমি করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করলাম।’

পেলে আর জানান, ‘অতিমারী এখনও শেষ হয়ে যায়নি। আমাদের এখনও শৃঙ্খলাপরায়ণ থাকতে হবে নিজেদের জন্যই। কারণ এখনও অধিকাংশ মানুষই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি।’ এদিন ভ্যাকসিন গ্রহণের মুহূর্তের ছবি প্রকাশিত হয় কিংবদন্তির অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে অনুরাগীদের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে আশ্বস্ত করছেন পেলে।

মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং নিয়মিত হাত সাফাই করা ইত্যাদি বিষয়গুলিকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে মোকাবিলার জন্য চালিয়ে যেতে অনুরোধ করেছেন কিংবদন্তী। পেলে জানিয়েছেন, ‘আমরা যদি একে অপরের কথা ভাবি এবং একে অপরের সাহায্য করি তাহলে এই অতিমারী বিদায় নেবে।’ তবে পেলে কোন ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন বা এটি তাঁর ভ্যাকসিনের কোন ডোজ, সে বিষয়ে কিংবদন্তির মিডিয়া টিম কিছু প্রকাশ করেনি।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির শারীরীক অবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। তার উপর বয়স আশির গন্ডি ছুঁয়ে ফেলার কারণে কিংবদন্তির মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিরাট ঝুঁকি রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে জনসমক্ষে আসাও ভীষণভাবে কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। আর এলেও হুইলচেয়ারের সাহায্য নিয়েই চলাফেরা করতে হয় ব্রাজিলের তিন-তিনটি বিশ্বজয়ের নায়ককে। উল্লেখ্য, ১৯৫৮, ১৯৬২ এবং ১৯৭০ সাম্বার দেশের বিশ্বজয়ের নায়ক ছিলেন পেলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।