জনসংখ্যার বিচারে খ্রিষ্টধর্ম ও ইসলামের পরই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্মমত হিন্দুধর্ম৷ ভারতে ১০০কোটিরও বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিরা বাস করেন৷ ভারতের পরই সবথেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিরা বাস করেন নেপালে৷ হিন্দু ধর্মানুযায়ী, গরুকে পবিত্র প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়৷ অপরদিকে অশ্বত্থ গাছ অন্যতম পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় হিন্দু ধর্মে৷

অশথ্থ গাছ আয়ূর্বেদের ঔষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়৷ কঠিন কঠিন রোগ সহজেই সারিয়ে দিতে পারে এই গাছটি৷ এই গাছের কষ রোগ সারাতে খুব গুরুত্বপূর্ণভাবে কাজ করে৷ একইসঙ্গে এই গাছের পাতা গরম করে যেকোনও ক্ষত স্থান সারাতে কাজ করে৷ মুহূর্তের মধ্যে সেটি কাজ করে৷ আয়ূর্বেদিক ঔষুধ হিসেবে এই গাছের গুণ সর্বাধিক৷

হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী, অশ্বত্থ গাছকে নাকি দৈত্য মনে করা হত৷ এই গাছ তার বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে লোককে আকৃষ্ট করত৷ আর সেই পাতা ফাঁদে নাকি পা দিলেও সঙ্গে সঙ্গে গাছের এক অদ্ভুত ক্ষমতা দিয়ে তাদের মেরে ফেলা হত৷ প্রতি শনিবার এই গাছকে পুজো করা হয়৷ এক শনিবার শনি দেবতা গাছের এই দৈত্যের গুণ ধ্বংস করে দেয়৷

অশ্বত্থ গাছের সঙ্গে লক্ষ্মী দেবতারও এক যোগসূত্র রয়েছে৷ হাতে লাল সুতো এবং লাল জামা পড়ে পুজো করেন ভক্তরা৷ আপনাকে আপনার ইচ্ছেপূরণ করতে এই গাছের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ৷

হনুমান ঠাকুরের সঙ্গেও এই গাছের সংযোগ রয়েছে৷ রামায়ণ মহাকাব্য অনুযায়ী, রাবণের কবল থেকে সীতাকে উদ্ধার করেন রাম৷ সেই সময় রাম অশ্বত্থ গাছের নীচে বসে বিশ্রাম নিতেন৷ আর গাছের উপরে বসে হনুমান রামের সীতা উদ্ধারের যাত্রার সাক্ষী ছিল৷ এরপরই সীতাকে উদ্ধারের জন্য রামের দোসর ছিল হনুমান৷

ব্রহ্ম পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান বিষ্ণু অশ্বত্থ গাছের নীচেই জন্মগ্রহণ করেন৷ তাই ভগবান বিষ্ণু রূপেও পূজা করা হয় তাকে৷ হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী, অশ্বত্থ গাছ এবং নিম গাছ একসঙ্গেই মন্দির চত্বরে বেড়ে ওঠে৷ কথিত আছে, এই দুটি গাছই বেড়ে উঠলে পর এই দুটি গাছের বিয়ে হয়ে যায়৷ এদের দুজনের মধ্যে নিম গাছকে বউ হিসেবে বিবেচনা করা হয়৷ এই দুই গাছের নীচে বাসা বাঁধে নাগরাজ৷ তাদেরতে নিজেদের বাবা মায়ের মতন নাকি আগলে রাখে এই দুই গাছ৷ গর্ভবতী মহিলাদের জন্যও এই গাছের ভূমিকা অনেক৷ গর্ভবতী মহিলাদের আশেপাশে যদি এই গাছ রাখা হয়৷ তাহলে এই গাছের হাওয়ায় সুস্থ সবল বাচ্চার জন্ম দিতে পারবেন একজন মা৷ অশ্বত্থ গাছ যেকোনও ধরণের ব্যক্টেরিয়া মেরে ফেলতে পারে খুব সহজে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।