মুম্বই: প্রথম ম্যাচে বোলাররা প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ হয়েছিলেন৷ কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে সেই বোলাররাই প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের ১০৬ রানে বেঁধে রাখলেন৷ চেন্নাই সুপার কিংস বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসম্পর্ণ পঞ্জাব কিংস ব্যাটসম্যানদের৷ ইয়েলো বিগ্রেডের বোলিংকে নেতৃত্ব দিলেন দীপক চাহার৷ চার ওভারে মাত্র ১৩ রান খরচ করে তুলে নেন চার উইকেট৷

প্রথম ম্যাচে স্কোর বোর্ডে ১৮৮ রান তুলেও দিল্লি ক্যাপিটালস ওপেনারদের সামনে নাস্তানাবুদ হয়েছিল সুপার কিংস বোলালরা৷ এদিন পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে যেন তার জবাব দিলেন৷ মাত্র ১০৬ রানে পঞ্জাবকে বেঁধে রাখল সিএসকে৷ ওয়াংখেড়ে ফ্রেস পিচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিতে ভুল করেননি সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ বাকি কাজটা করেন সিএসকে বোলাররা৷

২০২১ আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে দু’শো রানের গণ্ডি ছুয়েছে পঞ্জাব কিংস৷ প্রথম ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে স্কোর বোর্ডে ২২১ রান তুলেছিল রাহল অ্যান্ড কোং৷ কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে চলতি আইপিএলে সর্বনিম্ন স্কোর করল প্রীতি জিন্টার দল৷ সেই ওয়াংখেড়েয় চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ব্যাটিং করে মাত্র ১০৬ রান তুলতে সক্ষম হন পঞ্জাব ব্যাটসম্যান৷

সুপার কিংস বোলিংকে সামনে থেকে নেতৃত্ব চাহার৷ ইনিংসের চতুর্থ ডেলিভারিতে দুরন্ত লেগ-কাটারে ময়াঙ্ক আগরওয়ালের অফ-স্টাম্প নড়িয়ে দেন চাহার৷ খাতা খোলার আগেই ডাগ-আউটে ফেরেন ময়াঙ্ক৷ তৃতীয় ওভারে রবীন্দ্র জাদেজার দুরন্ত থ্রো-তে রান-আউট হয়ে ডাগ-আউটে ফেরেন পঞ্জাব ক্যাপ্টেন রাহুল৷ প্রথম ম্যাচে ৯১ রানের ইনিংস খেলা রাহুল এদিন মাত্র ৫ রান করেন৷ পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ক্রিস গেইলকে তুলে নিয়ে পঞ্জাবকে মোক্ষম ধাক্কা দেন চাহার৷ মাত্র ১০ রান করে ডাগ-আউটে ফেরেন ‘দ্য ইউনিভার্স বস’৷ একই ওভারের চতুর্থ ডেলিভারিতে নিকোলাস পুরানকে তুলে নিয়ে পঞ্জাব কিংস-কে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন চাহার৷ মাত্র ১৯ রানে চার উইকেট হারায় প্রীতির দল৷

সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে দীপক হুডাকে ডাগ-আউটে ফিরিয়ে পঞ্জাব ইনিংসের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন চাহার৷ এরপর শাহরুখ খান একাই লড়াই করে দলের স্কোর একশোতে পৌঁছন৷ ৩৬ বলে ২টি ছয় ও চারটি  বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৭ রান করেন শাহরুখ৷ কিন্তু আইপিএলে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি থেকে মাত্র তিন রান দূরে থেমে যান তিনি৷ পঞ্জাব ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর ঝাই রিচার্ডসনের ১৫৷ শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১০৬ রান তোলে পঞ্জাব কিংস৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.