নয়া দিল্লি: ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের তাণ্ডব শেষ না হতেই, আতঙ্ক তৈরি হয়েছে তৃতীয় ঢেউ নিয়ে। আর এই কারণে সরকার তড়িঘড়ি করছে দেশের একটা বিশাল অংশের মানুষকে টিকাকরণের আওতায় আনতে। তবে অধিক জনসংখ্যার এই দেশে সকল মানুষকে প্রতিষেধক দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারকে। অভিযোগ উঠছে লাইনে দাঁড়িয়েও টিকা না মেলার।

পাশাপাশি সরকারের চালু করা কো-উইন পোর্টাল এবং আরোগ্যসেতু অ্যাপেও টিকার স্লট বুক করতে গিয়ে তা নিমেষে শেষ হয়ে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছে অনেকে। এই অবস্থায় বেশকিছু থার্ড পাটি অ্যাপ অনলাইন কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন বুকিং সরবরাহের জন্য সরকারের কাছে অনুমোদন চেয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে পেটিএম (Paytm), ইনফোসিস (Infosys) এবং মেক মাই ট্রিপের (MakeMyTrip) মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলি।

প্রায় ১৫ টি রাষ্ট্রীয় সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থা টিকার স্লট বুকিং এর জন্য সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের হেলথকেয়ার জায়েন্ট অ্যাপোলো (Apollo), ম্যাক্স (Max) এবং অনলাইন ফার্মেসি ১ এমজি (1mg) । এমনই একটি তথ্য সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে (Reuters) জানিয়েছে কোউইন পোর্টালের পরিচালনা প্যানেলের প্রধান আর এস শর্মা (R.S. Sharma)।

আরো পড়ুন-পরিণীতিকে হিংসা করেন পিগি, সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন সে কথা

শর্মা বলেন, মাধ্যমগুলিকে অনুমতি প্রদান করা হলে, এটি দেশের পক্ষে ভালো কাজ করবে। পাশাপাশি একটি মাধ্যমের থেকে সমস্ত সত্তার (entities) মিলন অনেক ভালো বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আর্থিক লেনদেনের ডিজিটাল ব্যঙ্ক পেটিএম এর সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা রয়েছে ১০০ মিলিয়ন। অন্যদিকে মেক মাই ট্রিপের এই সংখ্যাটা প্রায় ১২ মিলিয়ন।

টিকার স্লট বুকিং এর এই বিষয়ে একটি মন্তব্য করেছেন মেক মাই ট্রিপ এর সিইও রাজেশ মাগৌ (Rajesh Magow)। রাজেশ বলে, তাদের সংস্থাটি মানুষের সাহায্যের জন্য টিকার স্লট বুক করতে চায়। পাশাপাশি ১ এমজি (1mg) তরফে জানানো হয়েছে, তারা সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এক স্বাস্থ্য আধিকারিক সূত্রে খবর, ভারতের ৩.৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে টিকা পেয়েছে ১.৩ মিলিয়ন মানুষ। তবে আগামীদিনে করোনা আরও মারাত্মক হয়ে ওঠার আগেই অধিক জনসখ্যাকে টিকাকরণের আওতায় আনতে চাইছে সরকার, বলেও জানিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.