আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে,নেতা অভিনেতারা যেভাবে রং বদলাচ্ছেন তাতে সাধারণ মানুষ চিন্তায় মুখ মুখোশকে চিনবে কী করে তা নিয়ে। ‘মানুষের জন্য কাজ করতে চাই’ এ অজুহাতে দল বদলে এ শিবির থেকে ও শিবিরে সুপার ফাস্ট জাম্প,এ সিন এখন সিরিয়ালের থেকেও বেশি হিট। ভোল পাল্টে ‘ফুল’ চেঞ্জ। বর্তমান রাজনৈতিক সামাজিক পরিস্থিতিতে এই চিত্র বারবার উঠে আসছে।

‘ছিল বেড়াল হয়ে গেল রুমাল’ এর মতন ‘ছিল বামপন্থী হয়ে গেল তৃণমূল’ বা ‘ছিল তৃণমূল হয়ে গেল বিজেপি’ ।
আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেতা ভরত কল, দীপঙ্কর দে, লাভলি মৈত্র, সৌরভ সাহা, কৌশানী মুখোপাধ্যায়, মানালি দে, জুন মালিয়া, কাঞ্চন মল্লিক, রাজ চক্রবর্তী, সায়নী ঘোষ প্রমুখরা৷ অপরদিকে বিজেপি টেনে নেয় যশ দাশগুপ্ত, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং কৌশিক রায়কে৷

বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহাগঞ্জের সভায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন টলিউডের একঝাঁক তারকা। যার মধ্যে সায়নী ঘোষ, কাঞ্চন মল্লিক, জুন মালিয়া, রাজ চক্রবর্তী, সুদেষ্ণা রায়রা ছিলেন। ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই ম্যাচ ড্র করার চেষ্টায় পদ্মশিবির৷ বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন টলিউড অভিনেত্রী পায়েল সরকার৷ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন তিনি৷ সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সাথে এক সময় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো তাঁর।

নেট নাগরিকরা বলছেন মজার ব্যাপার যাঁরা এই সময়ে ‘মানুষের জন্য কাজ করতে চাই’ এই অজুহাত দিয়ে এই দল থেকে ওই বলে লাফালাফি করছেন, তারা সবাই ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়াতে থেকে কাজ করতে চাইছেন।
এদের মধ্যে অনেকেই আগে বামপন্থী মনোভাব পোষণ করতেন। তারাই তৃণমূল বা বিজেপি তে যেতে চাইছেন কিন্তু কোনোভাবেই কমিউনিস্ট পার্টির ছত্রছায়ায় তারা আসছেন না।এর মধ্যেই ব্যতিক্রমি কিছু ব্যক্তিত্ব সৎ মানুষ হিসেবে নজর কেড়েছে এই ভোটের বাজারে।

দেব,শ্রীলেখা মিত্র,কমলেশ্বর মুখার্জীর মতন মানুষেরা এই রং বদলে জীবন বদলানোর বাজারে এক মুখে একটা কথা একটাই মতাদর্শে বিশ্বাস করেই থাকছেন মানুষের দরকারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।