প্যারিস: নয়া মহিলা গ্র্যান্ড স্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন(Grand slam Champion) পেতে চলেছে ২০২১ ফরাসি ওপেন(French Open)। শনিবার ক্লে-কোর্টের মেগা ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছেন রাশিয়ার আনাস্তাসিয়া পাভলুচেঙ্কোভা(Anastasia Pavlyuchenkova) এবং চেক প্রজাতন্ত্রের বারবোরা ক্রেজিকোভা(Barbora Krejcikova)। নাওমি ওসাকা(Naomi Osaka), অ্যাশলে বার্টি(Ashleigh Barty), ইগা স্বিয়াতেক(Iga Swiatek), সেরেনা উইলিয়ামসের(Serena Willaimas) মতো নামের ভিড়ে এই জোড়া নাম ফাইনালে প্রত্যাশা করতে পারেননি কেউই। তাই বলা যায় খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই কেরিয়ারে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছলেন পাভলুচেঙ্কোভা এবং ক্রেজিকোভা।

তবে পাভলুচেঙ্কোভার ক্ষেত্রে কিন্তু বিষয়টা খানিকটা আলাদা। পরিসংখ্যান জানান দিচ্ছে ওপেন এরায় সবচেয়ে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালের টিকিট পেলেন এই রাশিয়ান। শেষবার রাশিয়ান মহিলা হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেলেছিলেন মারিয়া শারাপোভা(Maria Sharapova)। সালটা ২০১৫ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন(Australian Open 2015)। অর্থাৎ, ছ’বছর বাদে কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যামের মহিলা সিঙ্গলস ফাইনালে রাশিয়ান হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করছেন পাভলুচেঙ্কোভা। ফরাসি ওপেনে এর আগে যাঁর সেরা রেকর্ড ছিল কোয়ার্টার ফাইনাল, তাও আবার দশ বছর আগে। স্লোভেনিয়ার তামারা জিদানেককে(Tamara Zidansek) বৃহস্পতিবার শেষ চারে স্ট্রেট সেটে হারালেন পাভলুচেঙ্কোভা।

রাশিয়ান তারকার পক্ষে ম্যাচের ফল ৭-৫, ৬-৩। এক ঘন্টার সামান্য বেশি কিছু সময়ে এদিন ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে পাভলুচেঙ্কোভা বলেন, ‘আমি কখনও ভাবিনি এবার এখানে ফাইনাল খেলব। আমার মনে হয় আপনারাও কেউ প্রত্যাশা করেননি। আমি শুধু পরিশ্রম করে গিয়েছি এবং যতোটা সম্ভব চেষ্টা করে গিয়েছি।’ ২০০৭ মাত্র ১৫ বছর বয়সে উইম্বলডনে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি পাওয়া রাশিয়ান তারকা প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল নিশ্চিত করে এদিন অনেক বেশি শান্ত ছিলেন কোর্টে। তবে এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর ভিতরে যে উত্তেজনা চলছে তার সঠিক বহিঃপ্রকাশ নয় এটা। হয়তো প্রথম মেজর জয়ের অপেক্ষায় সমস্তকিছু জমিয়ে রাখছেন পাভলুচেঙ্কোভা।

অন্য সেমিফাইনালে গ্রিসের মারিয়া সাকারিকে(Maria Sakkari) হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছলেন চেক প্রজাতন্ত্রের ক্রেজিকোভা(Barbora Krejcikova)। ডাবলসে খেতাব জিতলেও এর আগে কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গলসে চতুর্থ রাউন্ডের গন্ডি না পেরোনো এই টেনিস প্লেয়ারের উত্থানটা বেশ চমকপ্রদ এবারের রোলা গাঁরোয়। সাকারির বিরুদ্ধে এদিন ম্যাচ পয়েন্ট বাঁচিয়ে ফাইনালের টিকিট জিতে নিলেন ক্রেজিকোভা। তৃতীয় এবং নির্ণায়ক সেটে এদিন একসময় ৩-৫ পিছিয়ে ছিলেন তিনি। এদিন সেমিফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্রের প্লেয়ারটির পক্ষে ম্যাচের ফল ৭-৫, ৪-৬, ৯-৭। ৩ ঘন্টা ১৮ মিনিটের এই লড়াই ফরাসি ওপেনের ইতিহাসে দীর্ঘতম সেমিফাইনাল।

ফাইনালে পৌঁছে ক্রেজিকোভা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল এরকম একটা ম্যাচ খেলব। দুর্দান্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল ম্যাচটা। দু’জনের কাছেই সুযোগ ছিল। কিন্তু যে কোনও একজনকেই জিততে হত।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.