কলকাতা: শহরের একাংশে এখনও জল ও বিদ্যুৎ নেই৷ বিদ্যুৎ না থাকায় চালানো যাচ্ছে না পাম্প৷ এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুরসভার বেশ কয়েকটি পাম্পিং স্টেশনে বসানো হল জেনারেটর। যে পাম্পিং স্টেশনগুলিতে জেনারেটর বসানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কসবার সেনহাটি কলোনি, স্বামী বিবেকানন্দ পার্ক, পঞ্চসায়র, যোধপুর পার্ক, পর্ণশ্রী সরকারি আবাসন, ভবনীপুরের জি এস বোস সরণি।

পুরসভার পক্ষ থেকে সকলের জন্য একটি বার্তা দিয়েছেন প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম৷ তিনি বলেন, আমফানের কারণে ঘটে যাওয়া অভূতপূর্ব ধ্বংসযজ্ঞের কারণে আমরা কলকাতার নাগরিকরা যে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি তা আমরা বুঝতে পারি। এই সমস্যার সময় আমাদের ধৈর্য ধরে রাখতে হবে এবং ইতিবাচক থাকা দরকার। এছাড়া তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যসচিব রবিবার সিইএসসির সঙ্গে কথা বলেছেন। মানুষের অসুবিধার জন্য সাংবাদিক বৈঠকে ‘ক্ষমা’ চান ফিরহাদ হাকিম৷

বলেন, “মানুষের অসুবিধার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী”। পাশাপাশি জানিয়েছেন, সোমবার ইদের ছুটি থাকলেও পুরসভার সব কর্মী কাজে যোগ দেবেন৷ আরও ৩৬০ জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে গাছ কাটার জন্য। আমফানের তাণ্ডবের পর শহরের বহু এলাকা এখনও বিদ্যুৎবিহীন। এই পরিস্থিতির জন্য সিইএসসি-কেই দায়ী করলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম।

তাঁর বক্তব্য, “বিদ্যুতের পেমেন্ট তো সরকার নেয় না। যারা নিচ্ছে তাদের দায়িত্ব।” রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সিইএসসি পুরসভাকে যে তথ্য বিকেল পর্যন্ত দিয়েছে, তাতে শহরের ৫০ শতাংশ এলাকাতেই বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরে এসেছে। কলকাতায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ার জন্য সিইএসসি-র দাবি, বহু জায়গায় এখনও গাছ পড়ে রয়েছে। গাছ না কাটার জন্য লাইন দেওয়া যাচ্ছে না।

সিইএসসি-র এই দাবিকে এদিন খারিজ করে দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বক্তব্য, “গাছ না কাটার জন্য লাইন দেওয়া যাচ্ছে না, সিইএসসি-র এই দাবি ভুল।” বরং তাঁর পাল্টা অভিযোগ, “বরং কয়েকটি জায়গায় ওদের লাইন চালু থাকায় গাছ কাটা যায়নি।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “কোথায় কোথায় গাছ কাটতে হবে, সিইএসসি-র কাছে সেই তালিকা চাই।”

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প