ম্যাঞ্চেস্টার: ২০০৮ থেকে বর্ষসেরা ফুটবলার খেতাব অর্থাৎ ব্যালন ডি-অর শিরোপা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন বিশ্ব ফুটবলের দুই মহারথী। তবে চলতি বছর ওলটাতে পারে সেই পাশা। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এবং লিওনেল মেসি’কে পিছনে ফেলে ব্যালন ডি-অর জিতবেন অন্য কোন তারকা, তেমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই তালিকায় যেমন নাম রয়েছে ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ লুকা মদ্রিচের, তেমনই নাম রয়েছে বিশ্বজয়ী ফ্রান্স দলের একাধিক তারকার।

প্রাথমিক তালিকায় ৩০ জনের মধ্যে ফরাসি মিডফিল্ডার পল পোগবা’কে উপরের সারিতেই রাখছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। তবে নিজেকে ব্যালন ডি-অর’র দাবিদার মানতে একেবারেই রাজি নন ম্যান ইউ তারকা। বরং বর্ষসেরা এই খেতাবের যোগ্য দাবিদার হিসেবে পোগবা বেছে নিয়েছেন তাঁর দলেরই বাকি তিন সতীর্থকে।

ব্যালন ডি-অর’র প্রাথমিক তালিকায় নাম রয়েছে ফ্রান্সের বিশ্বজয়ী দলের সাত সদস্যের। পোগবার সঙ্গে সেই তালিকায় রয়েছেন অধিনায়ক হুগো লরিস, মিডফিল্ডার এনগোলো কান্তে, উদীয়মান তারকা কিলিয়ান এমবাপে, ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানে, স্ট্রাইকার আঁতোয়া গ্রিজম্যান এবং করিম বেঞ্জেমা।

এই তালিকা থেকে ব্যালন ডি-অর বাছতে গিয়ে ৬ ফুট ২ ইঞ্চির মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, ‘কোন একজনকে এক্ষেত্রে বেছে নেওয়া মুশকিল। তবে গ্রিজম্যান, এমবাপে এবং ভারানে এই তিনজন ব্যালন ডি-অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। এই খেতাব আমার সতীর্থদের অনেক বেশি প্রাপ্য।’

সম্ভাব্য চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে এই তালিকায় পোগবা রেখেছেন তাঁর আরও এক সতীর্থ এনগোলো কান্তে’কে। তবে কোনওভাবেই এই তালিকায় নিজেকে রাখতে রাজি নন ফ্রান্সের বিশ্বজয়ের নায়ক। ব্যালন ডি-অর’র দৌড়ে প্রবলভাবে রয়েছেন গত মরসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা ও বিশ্বকাপের ট্র্যাজিক হিরো ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদ্রিচও। কিন্তু নিজেকে দাবিদার না মানলেও তাঁরই কোন এক সতীর্থ এই খেতাব পেলে তিনি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন পল।

আগামি ৩ ডিসেম্বর ঘোষণা হবে এবছরের ব্যালন ডি-অর খেতাব বিজয়ীর নাম। পোগবার প্রত্যাশা অনুযায়ী রোনাল্ডো-মেসিকে ছাপিয়ে ফ্রান্সের বিশ্বজয়ী দলের কোনও সদস্যের হাতে এই শিরোপা ওঠে, নাকি শিরোপা ছিনিয়ে নেন অন্য কেউ। এখন সেটাই দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.