কলকাতা: ফের নতুন রূপে চালু হতে চলেছে কলকাতা দক্ষিণ শহরতলীর পাটুলির ভাসমান বাজার। তবে এবার প্লাস্টিকমুক্ত ভাসমান বাজার চালু হতে চলেছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে পয়লা বৈশাখ নতুন রূপে চালু হতে চলেছে পাটুলির ভাসমান বাজার। শেষ মুহূর্তের কাজ এখন চলছে জোরকদমে।

পাটুলির ভাসমান বাজারকে প্রথম থেকেই প্লাস্টিকমুক্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনের তরফে। কিন্তু বিক্রেতা বা ক্রেতা কেউই এ বিষয়ে সচেতন হননি। তৈরির বছর দু’য়েকের মধ্যেই পাটুলির ভাসমান বাজারের ঝিল প্লাস্টিকে ভরে যায়। ক্রমেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়।

কমে যায় ক্রেতাদের আনাগোনাও। ভাসমান বাজার থেকে দোকানও গুটিয়ে নেন অনেকে। রীতিমতো ঢাক-ঢোল পিটিয়ে পাটুলির ভাসমান এই বাজারের উদ্বোধন হলেও তৈরির কয়েক বছরেই থমকে পড়ে অনন্য এই উদ্যোগ।

তবে এবার পুরোন ভুল-ত্রুটি শুধরে নিতে চাইছে কেএমডিএ। পাটুলির ঝিলে এখন ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। গোটা ঝিলটি পরিষ্কারের কাজ চলছে। এবার থেকে শুধুমাত্র কাগজ বা পরিবেশ-বান্ধব ব্যাগেই পাটুলির ভাসমান বাজার থেকে পণ্য কেনা যাবে। পরিবেশ বান্ধব ব্যাগের ব্যাবহার হলে ঝিলটি বাঁচানো যাবে বলে মনে করছে সরকার। এক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই সচেতন হওয়ার আবেদন জানানো হবে।

দেশের মধ্যে এই ধরনের ভাসমান বাজার প্রথম কলকাতাতেই তৈরি করা হয়। ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাটুলির ভাসমান বাজারের উদ্বোধন করেন। শতাধিক নৌকায় দোকান তৈরি করে জিনিসপত্রের পসরা নিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সেই নৌকাগুলি ঢাকা না থাকায় ঝড়-জলে কিছুদিনের মধ্যেই সেগুলি বেহাল হয়ে পড়ে।

পাটুলির বাজার নতুন করে চালু করতে বেহাল ওই নৌকাগুলিও সারানো হচ্ছে। ভাসমান এই বাজারে জিনিসপত্র কেনাকেটা করতে উচ্চতাজনিত সমস্যায় পড়তে হয় ক্রেতাদের। বাজারে থাকা কাঠের প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা নৌকার উচ্চতার চেয়ে বেশি হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়। সেই সমস্যাও এবার মেটানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভাসমান এই বাজারে ঢেলে সাজানো হচ্ছে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও। বিক্রেতারা যাতে সব নিয়ম মেনে চলেন, সেদিকেও এবার নজরদারি চালানো হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।