তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: শারদোৎসবের পর আলোর উৎসবেও থিমের চমক বাঁকুড়ার বেশ কিছু পুজো মণ্ডপে। জেলার পাত্রসায়রের ‘আমরা কজন’ ক্লাবের সদস্যরা তাদের কালী পুজোর মণ্ডপে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিতে চাইছেন। প্রায় তিন লক্ষ টাকা বাজেটের এই পুজোর মণ্ডপ স্বর্ণ মন্দিরের আদলে করা হলেও মণ্ডপের চূড়ায় অভিনবত্ব রয়েছে। ‘ধর্ম আমার, ধর্ম তোমার। উৎসব হোক সবার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে এখানে মণ্ডপে পাশাপাশি দু’টি চূড়া রয়েছে। একটি হিন্দু মন্দিরের আদলে হলেও অন্যটি মসজিদের গম্বুজাকৃতির চূড়া। যা হিন্দু-মুসলিম সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

২০০৫ সালে পাত্রসায়রে এই পুজোর সূচনা হয়। এই পুজো কমিটি প্রতি বছরই ভিন্ন স্বাদের অভিনব মণ্ডপ সজ্জা উপহার দিয়ে থাকে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। বর্তমান সময়ে ধর্ম নিয়ে উত্তাল রাজনীতির আবহে এই মণ্ডপ সজ্জা এলাকার মানুষের কাছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অনন্য নজির হয়ে থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

পুজো কমিটির সদস্য সুব্রত দত্ত বলেন, ‘এলাকার মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা আর সহযোগিতায় এই পুজো এবার ১৩ বছরে পদার্পণ করল। আমাদের এক ও একমাত্র পরিচয় আমরা ভারতবাসী। ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটা শ্রেণি ভারতবাসীর মধ্যেই সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে। তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই এই ধরণের মণ্ডপ সজ্জা বলে তিনি জানান।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।