কলকাতা: পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডে শুরু হয়েছে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট৷ ফলে ৩০ মিনিটের জানা যাচ্ছে ফলাফল৷ রবিবার কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে পাতিপুকুরের পাইকারি মাছ বাজারে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়৷ সেখানে ৩০ মিনিটেই ৫ জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায় বলে সূত্রের খবর৷

পুরসভা সূত্রে খবর, বাজারের ক্রেতা -বিক্রেতা ও স্থানীয় বাসিন্দা মিলিয়ে মোট ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়৷ তাঁদের মধ্যে ৫ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ আক্রান্তদের মধ্যে ২ জনের করোনার উপসর্গ রয়েছে৷ আর ৩ জনের উপসর্গ নেই৷

জানা গিয়েছে,পাতিপুকুর মাছ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার মানুষের ভিড় হয়৷ এই পাইকারি বাজারে রয়েছে ১৩০টি আড়ত্‍দার৷ জনবহুল হওয়ায় এই বাজারে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়৷ টেস্টের পাশাপাশি মাছ বাজার চত্বর জীবাণুমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুরসভা৷

সম্প্রতি পুরসভার উদ্যোগে শুরু হয়েছে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট৷ চেতলায় প্রথম এই টেস্ট শুরু হয়৷ সেখানে প্রথম দফায় যে ২৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়৷ মাত্র ৩০ মিনিটে তারা করোনা রিপোর্ট জানতে পারলেন৷

জানা গিয়েছে, চেতলায় প্রথম দফায় যে ২৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়, তাদের মধ্যে ২ জন করোনা আক্রান্ত৷ নমুনা পরীক্ষার পাশাপাশি অক্সিমিটারের মাধ্যমে বাসিন্দাদের অক্সিজেন ও পালস রেটও চেক করা হয়৷ সেখানে হাজির ছিলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরাহাদ হাকিম৷

কলকাতা পুরসভার সূত্রে তখন জানা গিয়েছিল,প্রত্যেক দিন বরোগুলিতে ৫০টা করে র‌্যাপিড টেস্ট হবে৷ এই টেস্টে একসঙ্গে ৮ জনের পরীক্ষা করা সম্ভব৷ অর্থাৎ প্রত্যেক বরোতে ৪০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব৷ এইভাবে ১৬টি বরোতে একদিনে ৬৪০০ জনের নমুনা পরীক্ষা সম্ভব৷

এছাড়া বাংলায় এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৬০টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে বলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনে প্রকাশ৷ ওই ল্যাবরেটরিতে এখন প্রতিদিন ২৫ হাজারের বেশি টেস্ট হচ্ছে৷

অন্যদিকে, বাংলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯৫ হাজার ছাড়াল৷ একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রায় ২ হাজার৷

তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ হাজার ছাড়াল৷ রবিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯৩৯ জন৷ শনিবারের থেকে কম৷ তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াল ৯৫ হাজার ৫৫৪ জনে৷

তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ হাজার ৩৭৫ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৮৮৯ জন৷ একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জন৷ শনিবারের বুলেটিনে মৃতের সংখ্যাটা ছিল ৫১ জন৷ সেই তুলনায় আজ রবিবার মৃতের সংখ্যাটা বেশি৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২,০৫৯ জনের৷ বাংলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯৫ হাজার ছাড়াল৷ একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রায় ২ হাজার৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ হাজার ছাড়াল৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও