তিরুঅনন্তপুরম : অপ্রতুল পরিকাঠামো। ফলে আপোষ করতে হচ্ছে পরিষেবার সঙ্গে। কেরলের হাসপাতালগুলি তাই অল্প সময়ের মধ্যেই ছেড়ে দিচ্ছে করোনা আক্রান্তকে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর টেস্ট কিটের কম পরিমাণ দেখে ইতিমধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগিকে কবে ছাড়া হবে, সে বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর। স্বাস্থ্য দফতর জানাচ্ছে রাজ্যে পিসিআর কিট কম।

তাই করোনা আক্রান্ত রোগি সুস্থ হয়ে হয়েছে মনে করা হলে একবারই ফের টেস্ট হবে তাঁর। এর আগে, রোগি সুস্থ হয়েছে মনে করা হলে দুবার টেস্ট করা হত। ২৪ ঘন্টার মধ্যে দুবার টেস্টে রিপোর্ট নেগেটিভ এলে, তবেই ছাড়া হত রোগিকে। কিন্তু এবার থেকে তা হবে না। কেরল সরকার জানিয়েছে সুস্থ হয়েছে কোনও করোনা রোগি মনে হলে, একবারই পরীক্ষা করা হবে।

সেই রিপোর্ট যদি নেগেটিভ আসে, তাহলে ছেড়ে দেওয়া হবে তাঁকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইসিএমআরের দেওয়া গাইডলাইন মেনেই নাকি এই সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। জানানো হয়েছে করোনা আক্রান্ত রোগিরা, যাঁরা হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন, তাঁদের ১৪ তম দিনে টেস্ট করানো হবে।

যদি রিপোর্ট নেগেটিভ আসে, তবেই সব দিক বিচার করে ছাড়া হবে রোগিকে। সাধারণত করোনা সংক্রমণ বোঝা যায় দুদিনে। শরীরে তা থাকে ৮দিন পর্যন্ত। হাসপাতালগুলি রোগিদের ১০ থেকে ১৪ দিন ভর্তি করে রাখে, যাতে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েই বাড়ি ফিরতে পারেন রোগি।

এদিকে, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ লক্ষ। মহারাষ্ট্র, তামিলনাডু, দিল্লিতে হু হু করে সংক্রমণের জেরেই লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। বুধবার রাতের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৩২ জন। যা কিনা রাশিয়ার থেকে মাত্র ৫০ হাজার পিছনে।

উল্লেখ্য, আমেরিকা ও ব্রাজিলের পরেই তৃতীয় স্থানে নাম রয়েছে রাশিয়ার। ভারতে মোট যত মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁর মধ্যে ৯০ শতাংশ সংক্রমণ হয়েছে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং কর্নাটক এই ১০ টি রাজ্য থেকে।

মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, দিল্লি করোনা ভাইরাসের বিস্তার কমিয়ে আনতে অনেকাংশে সফল হয়েছে। জুনে যেখানে দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা, সেখানে তা ৮৭,০০০ এ ঠেকেছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ