হরিদ্বার : মঙ্গলবারই বাজারে করোনার ওষুধ নিয়ে আসছে যোগগুরু রামদেবের পতঞ্জলী। করোনিল নামের এই আয়ুর্বেদিক ওষুধ করোনা ভাইরাস নির্মূল করতে ১০০ শতাংশ কার্যকরী, এমনই দাবি এই সংস্থার।

উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে পতঞ্জলী যোগপীঠে ২৩শে জুন অর্থাৎ মঙ্গলবার এই ওষুধের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটানো হবে। এর আগে, পতঞ্জলীর সিইও আচার্য বালকৃষ্ণ দাবি করেছিলেন তাঁর সংস্থা যে ওষুধ নিয়ে আসছে, তা পুরোপুরি করোনা দূর করতে সক্ষম।

যোগগুরু রামদেব জানিয়ে ছিলেন কোনও করোনা আক্রান্ত রোগিকে যদি করোনিল দেওয়া হয়, তবে ১০০ শতাংশ সুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ওষুধ তৈরি হয়েছে অশ্বগন্ধা, গিলয় বা গুলঞ্চ ও তুলসী দিয়ে, বলে জানিয়েছে পতঞ্জলী।

সোমবার বালকৃষ্ণ এই বিষয়ে একটি ট্যুইট করেন। তিনি লেখেন সর্বপ্রথম করোনার ওষুধ বাজারে আনতে পেরে গর্বিত। করোনিল মঙ্গলবার বেলা ১২টার সময় হরিদ্বারে পতঞ্জলী যোগপীঠে লঞ্চ করা হবে। বালকৃষ্ণ দাবি করেছিলেন, এই আয়ুর্বেদিক ওষুধটি করোনা রোগিদের পাঁচ থেকে চোদ্দ দিনের মধ্যে সারিয়ে তুলবে।

সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে বালকৃষ্ণ বলেন, মারণ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পরেই পতঞ্জলী কয়েকজন গবেষকের একটি টিম তৈরি করে। ওষুধ তৈরির কাজ শুরু হয়। কীভাবে এই মারণ ভাইরাসকে জয় করা যায়, তা নিয়েই পরীক্ষানিরীক্ষা চলছিল এতদিন ধরে।

পতঞ্জলী এই কাজে ১০০ শতাংশ সাফল্য পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার সিইও। এই ওষুধ আয়ুর্বেদের আশীর্বাদ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে এরই সাথে যোগব্যায়ম ও সুষম খাদ্যাভ্যাস জরুরি বলে জানিয়েছেন তিনি।

করোনা নিয়ে অতি সম্প্রতি বাবা রামদেব জানিয়েছিলেন, করোনার সংক্রমণ রোধের উপায় তাঁর জানা আছে। শুধু তাই নয়, তিনি আরও জানান, ভারতীয় আয়ুর্বেদই সমূলে নষ্ট করে দিতে পারে মারণ এই রোগকে।

তিনি আরও জানান, করোনা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে আমাদের খুবই পরিচিত দুই ঔষধি গাছে। যা করোনা মোকাবিলায় বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। সেগুলি হল, গিলয় বা গুলঞ্চ এবং অশ্বগন্ধা গাছ।

এই দুই গাছের পাতা, ছাল, শিকড় থেকে তৈরি ওষুধ বা পাতার রস আমাদের ইমিউনিটি শক্তিকে বহুগুন বাড়িয়ে তোলে। ফলে যে কোনও ভাইরাস আমাদের দেহে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়,আমরা দুর্বল হয়ে পড়ি। আর সেক্ষেত্রে এই দুই ঔষধি গাছের গুনাগুন আমাদের দেহকোষের জীবাণু নষ্ট করে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।