সিডনি: তৃতীয় টেস্টের তৃতীয়দিন প্রথম সেশনে দুই উইকেট খোয়ালেও চেতেশ্বর পূজারার দৃঢ়চেতা ব্যাটিং দারুণভাবে লড়াইয়ে রেখেছিল টিম ইন্ডিয়াকে। শেষ পর্যন্ত হাফ-সেঞ্চুরি করে প্যাট কামিন্সের বলে প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরতে হয় ভারতীয় দলের নম্বর তিন ব্যাটসম্যান৷ কামিন্সের ওই ডেলিভারিটকে সিরিজের সেরা বলছেন পূজারা৷

পূজারা ব্যক্তিগত ৯ রানে এবং অজিঙ্কা রাহানে ৫ রানে তৃতীয় দিনে খেলা শুরু করেছিলেন৷ কিন্তু এদিন খুব বেশি দীর্ঘায়িত হয়নি অধিনায়কের ব্যাটিং। কামিন্সের ডেলিভারিতে ক্লিন বোল্ড হয়ে মাত্র ২২ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বক্সিং-ডে টেস্টের নায়ক। এরপর ব্যাট হাতে ক্রিজে নেমে ৩৮ বল ফেস করেন হনুমা বিহারী। কিন্তু ব্যাট হাতে মাত্র ৪ রান সংগ্রহ হরে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান-আউটের শিকার হন তিনি।

লাঞ্চ পর্যন্ত ‘মিস্টার ডিপেন্ডবল’ পূজারাকে বিব্রত করতে পারেননি অজি বোলাররা৷ মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন পূজারা৷ ১৭৬ বলে ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫০ রান করেন তিনি৷ কিন্তু তারপরই দুরন্ত এক ডেলিভারিতে পূজারাকে ফিরিয়ে ভারতকে আরও চাপে ফেলে দেন কামিন্স। কামিন্সের লাফিয়ে ওঠা গুড লেংথ ডেলিভারি তাঁর গ্লাভস ছুঁয়ে পেইনের হাতে জমা পড়ে। পূজারা আউট হতেই বেশিদূর এগোয়নি ভারতীয় ইনিংস৷ অস্ট্রেলিয়ার থেকে ৯৪ রান দূরে থেমে যায় টিম ইন্ডিয়া।

কামিন্সের এই ডেলিভারি সম্পর্কে পূজারা বলেন, ‘আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়েছি৷ কিন্তু কামিন্স এমন কিছু ডেলিভারি করেছে, যা ছিল আনপ্লেয়েবল। আমি যে ডেলিভারিতে আউট হয়েছি, সেটা সিরিজের সেরা ডেলিভারি৷ এর থেকে ভালো বল এই সিরিজে এখনও হয়নি।’ টেস্ট কেরিয়ারে এদিন সবচেয়ে মন্থর অর্ধ-শতরান করেন পূজারা। ৫০ রান করতে নিয়েছেন ১৭৪ বল। স্ট্রাইক-রেট ২৮.৪১। পূজারা ধীরগতির এই ইনিংস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই৷

এই নিয়ে চলতি সিরিজে তিনি চারবার কামিন্সের বলে আউট হলেন পূজারা৷ এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চারবার আউট হয়েছি ঠিকই। কিন্তু প্রত্যেকটাই ভালো বল ছিল। আমি নিজের ব্যাটিং নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। ব্যাটসম্যান হিসেবে আমার ফোকাস থাকে নিজের দিকেই। বোলারকে কী করে ওকে চাপে ফেলব, সে দিকে নয়।’ পাশাপাশি ধীর গতির ইনিংসের জন্য সমালোচকদের পাত্তা দিচ্ছেন না টিম ইন্ডিয়া নয়া ‘মিস্টার ডিপেন্ডবল’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।