নয়াদিল্লি : ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে আর মান্যতা পাবে না পাসপোর্ট৷ বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একথা প্রকাশ করা হয়েছে৷ বলা হয়েছে, পাসপোর্টের শেষের পাতাটি আর মুদ্রিত হবে না৷

ভারতীয় পাসপোর্টের শেষ পাতাটিতে ব্যক্তির বাবা বা আইনি অভিভাবক, মা, স্ত্রী বা স্বামী ও ঠিকানা মুদ্রিত থাকে৷ বিদেশ মন্ত্রকের ৩ সদস্যের একটি কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক জানিয়েছিল পাসপোর্টে বাবার নাম আর রাখা যাবে না৷ তার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক৷

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, পাসপোর্টের এই নতুন ভার্সনে শেষের পাতাটি ফাঁকা থাকবে৷ তবে তথ্য বিদেশ মন্ত্রকের সিস্টেমে মজুত রাখা হবে৷ তাই সরকারের উপর এটি কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না৷ যেহেতু পাসপোর্টের শেষের পাতাটি ফাঁকা থাকবে, তাই সামান্য পরিবর্তন হবে পাসপোর্টে৷ ECR বা ইমিগ্রেশন চেক রিকোয়ার্ডের পাসপোর্টগুলি কমলা জ্যাকেটে মোড়া থাকবে আর non-ECR পাসপোর্টগুলি হবে নীল রংয়ের৷

এখন তিনটি রংয়ে পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়৷ সরকারি অফিসারদের সাদা, কূটনীতিবিদদের লাল ও বাকিদের নীল রংয়ের পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়৷

এবার যে পাসপোর্টগুলি মুদ্রিত হবে, সেগুলি মুদ্রণ করবে নাসিকের ইন্ডিয়ান সিকিউরিটি প্রেস৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।