নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার থেকে চলবে যাত্রীবাহী ট্রেন। রবিবার কেন্দ্রের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টিকিট বুকিং-এর সব ব্যবস্থা থাকছে অনলাইনে। তবে, খাবার বুক করা যাবে না।

আগে যেভাবে আইআরসিটিসি থেকে টিকিটের পাশাপাশি খাবারও বুক করা যেত, এখন থেকে সেই ব্যবস্থা আর থাকছে না। ট্রেনের ওঠার পর খাবার খেতে গেলে টাকা দিয়ে কেনার ব্যবস্থা থাকছে। যদিও, কিছু নির্দিষ্ট জিনিসই কেনা যাবে। খুব বেশি খাবার পাওয়া যাবে না।

তবে যাত্রীদের প্রয়োজনে কিছু খাবারের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। থাকছে শুকনো খাবার ও জল। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষ উৎসাহ দিচ্ছে যাতে প্রত্যেক যাত্রী নিজেদের খাবার ও জল নিয়েই ট্রেনে ওঠে।

এদিকে ট্রেনের টিকিট বুকিং এর সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে ১৫টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলার কথা। লকডাউনের শুরু থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রয়েছে। অবশেষে ধীরে ধীরে ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

সোমবার বিকেল ৪ টে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং করার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময় পিছিয়ে দিল আইআরসিটিসি। সন্ধে ৬ টা থেকে শুরু হবে বুকিং।

এদিন বিকেল ৪ টে থেকে টিকিট বুকিং-এর প্রক্রিয়া চালু হলেও, আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট ক্র্যাশ করে যাওয়ার ও স্লো হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপরই আইআরসিটি জানায় যে ডেটা আপলোড হচ্ছে, তাই সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যাদের শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ নেই, তাদেরকেই স্টেশনে ঢুকতে দেওয়া হবে ও ট্রেনে উঠতে দেওয়া হবে। প্রত্যেক যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হবে। এছাড়া যাত্রীরা মাস্ক পরে, তবেই ট্রেনে উঠতে পারবেন। প্রত্যেকটা ট্রেনের কোচ হবে এসি আর ভাড়া হবে রাজধানীর মত।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ