নয়াদিল্লি : বিমান ছাড়ার সব প্রস্তুতি তখন সারা হয়ে গিয়েছে। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারল্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ছাড়তে চলেছে পুনে গামী ইন্ডিগো বিমান। তার ঠিক আগের মুহুর্তেই আতঙ্কের ঘোষণা করলেন এক যাত্রী।

ওই ব্যক্তি জানান তিনি করোনা আক্রান্ত। তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট তখনই এসেছে। তাতে জানা গিয়েছে তিনি করোনা পজেটিভ। সঙ্গে সঙ্গে বিমান সেবিকাদের তিনি গোটা ঘটনা জানিয়েছেন। দিল্লি-পুনে ইন্ডিগো ৬ই ২৮৬ বিমানের ওই যাত্রী জানান তিনি মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। ফ্লাইটে বোর্ডিংয়ের আগে নিয়ম অনুযায়ী আরটি-পিসিআর টেস্ট করিয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু রিপোর্ট আসতে দেরি হয়। যখন তিনি জানতে পারেন, তখন বিমান ছাড়তে চলেছে।

দ্রুত ওই যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। ফের বিমানটিকে পার্কিম লটে ফেরত নিয়ে যাওয়া হয়। পুরোপুরি স্যানিটাইজ করা হয় বিমানটিকে। প্রত্যেক যাত্রীকে স্যানিটাইজ করা হয়। আক্রান্ত যাত্রীকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার নয়া মাইলস্টোন ছুঁল দেশ। একদিনে ভ্যাকসিন পেলেন ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রদত্ত তথ্য বলছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৭ টা অবধি ভ্যাকসিন পেয়েছেন ১০ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ, যার ফলে ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে মোট ভ্যাকসিন পেয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ৭৭ লক্ষ।

উল্লেখ্য, দেশে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় দফায় করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ। ফ্রন্ট লাইন ওয়ার্কাস থেকে শুরু করে, এবার ৬০ এর বেশি বয়স্ক মানুষ ও ৪৫ বছরের বেশি বয়স এমন কো-মর্বিবিটি যুক্ত মানুষদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে চলতি সপ্তাহ থেকেই।

বৃহস্পতিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৪০৭ জন। মহারাষ্ট্রে অক্টোবরের ১৯ তারিখের পর থেকে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এদিন মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮৫৫ জন। কেরলে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ২,৭৬৫ জন, পঞ্জাবে সংখ্যাটা ৭৭২। অন্যদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিলের করোনা ভ্যারিয়ান্টে এখন অবধি আক্রান্ত হয়েছেন ২৪২ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।