ফাইল ছবি

কলকাতা: সর্বসাধারণের জন্য সোমবার থেকেই চালু হয়ে গেল মেট্রো পরিষেবা। তবে পরিষেবা শুরুর প্রথম দিনে হাতেগোনা যাত্রী মেট্রোয়। প্রথম দিনের প্রথম ৬ ঘণ্টায় যাত্রী সংখ্যা দেখে কপালে ভাঁজ মেট্রো কর্তাদের। সোমবার সকাল ৮ থেকে শুরু হয় মেট্রো পরিষেবা।

মেট্রোরেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত নোয়াপাড়া-কবি সুভাষ রুটে মেট্রো চড়েছেন মাত্র ৯,৪০০ যাত্রী। ওই একই সময়ে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় সওয়ার ছিলেন মাত্র ৫০ জন যাত্রী। যাত্রী সংখ্যা কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে চিন্তিত মেট্রো-কর্তৃপক্ষ।

গোটা দেশ করোনার গ্রাসে। করোনা চোখ রাঙাচ্ছে এরাজ্যেও। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই বাইরে বেরোলেও চূড়ান্ত সাবধানতা অবলম্বন করছেন।

অন্যদিকে, আনলক ফোর পর্যায়ে মেট্রো পরিষেবা চালু হলেও মানতে হচ্ছে একাধিক বিধি-নিষেধ। মেট্রো চড় এখন বেশ জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেট্রোরেলে ই-পাস নিয়ে অনেকেই এখনও সরগত হননি।

যদিও মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই পরিস্থিতি শীঘ্রই বদলে যাবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই মেট্রোয় যাত্রী সংখ্যা বাড়বে। করোনা আবহে সুরক্ষাবিধি মেনে কীভাবে মেট্রোয় ভ্রমণ করতে হবে, দ্রুত সেই নিয়ম মানিয়ে নিতে পারবেন যাত্রীরা।

তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যাত্রীদের মধ্যে কোনওভাবে যাতে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীদের স্বার্থ দেখতে মেট্রোয় চড়ার নিয়মে কিছু বদল আনা হয়েছে। মেট্রো সফরে করোনার সংক্রমণ রোখা অন্যতম একটি চ্যালেঞ্জ। কখনই সুরক্ষার সঙ্গে আপোস করা হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।