প্রদ্যুত দাস, জলপাইগুড়ি: ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও রায়গঞ্জে ভোট৷ তাই হাতে আর এতটুকু সময় নেই৷ তাই সব রাজনৈতিক দলের এখন শেষ মুহূর্তের প্রচার তুঙ্গে৷ কেউ এতটুকু জায়গা ছাড়তে রাজি নয়৷

শেষ দিনের প্রচারে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত ছিলেন জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীরা৷ বিজেপি, বামফ্রন্ট, তৃণমূল ও কংগ্রেস নেতা কর্মীদের প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখা যায়৷

প্রচারে জলপাইগুড়ির বিভিন্ন এলাকা ঘোরেন বিজেপি নেত্রী রূপা গাঙ্গুলি। জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ডা. জয়ন্ত রায়ের হয়ে জলপাইগুড়ি শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের হরিজন বস্তি এলাকায় প্রচার করেন তিনি। প্রচারে নেমে স্থানীয় মানুষদের বিভিন্ন অভাব অভিযোগের কথা শোনেন রূপা। সকলের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

শেষ দিনের প্রচারে পিছিয়ে নেই গতবারের জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস৷ জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিজয়চন্দ্র বর্মণ। তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা টলিউড অভিনেত্রী মিমির সঙ্গে শহরে জমজমাট ভোট প্রচার করেন তিনি৷ তারপর এদিন বেলাকোবা এলাকায় প্রচারে নামেন তিনি। এদিকে পাহাড়পুরের, বজরাপাড়া ও বালাপাড়া এলাকাতেও বিশাল প্রচার মিছিল বের করেন জলপাইগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সমর্থকরা। প্রার্থী বিজয়চন্দ্র বর্মণের হয়ে শ্লোগান তোলেন তারা। মিছিলে অংশ নেন সেখ আলমগীর আলম, বিকাশ বসাক, ছায়া রায় সহ অন্যান্যরা।

এদিকে প্রচারের শেষ লগ্নে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ও হাটে বাজারে প্রচার চালালেন জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী ভগীরথ রায়। এদিন তিনি প্রচারে নেমে দাবি করেন দলের নেতা কর্মী সহ সকলের কাছ থেকেই ভালো সাড়া পাচ্ছেন তিনি। আগেই তাঁর সমর্থনে দলীয় জনসভায় মাইক বাজানো নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ছড়িয়েছিল৷ মাইক বাজানোর অনুমতি না মেলায় বামকর্মীরা নিজেদের ঘাড়ে মাইক নিয়ে বিভিন্ন মোড়ে দাঁড়িয়ে সেই জনসভার প্রচার করেছিলেন৷