কলকাতা: শনিবারই দিল্লি বিধানসভার ভোট। সেই কারণেই তড়িঘড়ি অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির জন্য ট্রাস্ট তৈরির ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভোটের আগে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই ট্রাস্ট গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল মহাসচিবের। এটা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কৌশল বলেও কটাক্ষ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।

বুধবার লোকসভায় শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট তৈরির ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির যাবতীয় কাজই নবগঠিত ট্রাস্ট-এর সদস্যরাই দেখভাল করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি নিয়ে তৎপরতা আরও গতি পেয়েছে। এবার সেই কাজকেই আরও ত্বরাণ্বিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি করতে নয়া একটি ট্রাস্ট তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানান, অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির লক্ষ্যে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাম মন্দির তৈরির ব্যাপারে যাবতীয় সিদ্ধান্ত এই ট্রাস্টের সদস্যরাই নেবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লি ভোটের আগে সুকৌশলে রাম মন্দির তৈরির জন্য ট্রাস্ট তৈরির ঘোষণা করে ভোটের আগে বিজেপি ফায়দা তোলার চেষ্টা করল বলে অভিযোগ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির।

এদিকে, রাম মন্দির তৈরিতে ট্রাস্ট তৈরির ঘোষণায় মোদীর তীব্র সমালোচনায় সরব তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোরাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘সামনেই দিল্লিতে বিধানসভা ভোট। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ট্রাস্ট গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এটা ওঁর রাজনৈতিক কৌশল’।

কয়েক দশক ধরে অযোধ্যার জমি নিয়ে মামলা চলে আদালতে। অবশেষে ২০১৯ সালের নভেম্বরে অযোধ্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। অযোধ্যার বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি হিন্দু মামলাকারীকে দেওয়ার পক্ষে রায় দেয় শীর্ষ আদালত। অন্যদিকে, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে অযোধ্যার অন্যত্র ৫ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। মন্দির তৈরির জন্য ৩ মাসের মধ্যে ট্রাস্ট বানানোর নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে বুধবারই অযোধ্যায় রাম মন্দি তৈরির জন্য শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট তৈরির ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ