কলকাতা: শহরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসা নিয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ। দফায় দফায় মোদী বিরোধী স্লোগান। উত্তেজনা ছড়ায় শহরের বিভিন্ন অংশে। যাদবপুরের পড়ুয়ারা এদিন একটি অরাজনৈতিক মিছিল বের করে। মোদী বিরোধী ওই মিছিল রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে এসে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গে পড়ুয়াদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এর পরেই ছাত্রদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ফেসবুকে লেখেন, “ছাত্র সমাজের কাছে আমার বিনীত নিবেদন তারা যেন কোনও চক্রান্ত বলি না হন। আমি আপনাদের সকলকে আবারও আশ্বস্ত করতে চাই এ রাজ্যে আমরা এনআরসি হোক বা সিএএ হোক কোনও অবস্থাতেই লাগু হতে দেব না।”

তিনি আরও লেখেন “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যের মানুষ সকলে এখন এক। সেই ঐক্যবদ্ধতাকে কোনও মতেই নষ্ট করা যাবে না। ছাত্র ঐক্যের মধ্য দিয়েই তাকে রক্ষা করতে হবে। ছাত্র ঐক্যকে বিপথগামী করার পিছনে যারা মদত দিচ্ছেন তারা রাজ্যের ভালো চান না।”

এনআরসি এবং সিএএ নিয়ে উত্তাল সারা দেশ। প্রতিবাদের আঁচ বাংলাতেও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক হয়েছে সারা বাংলার মানুষ। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই এনআরসি এবং সিএএ বিরোধী একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী ছাত্রদের উদ্দেশ্যে চক্রান্তে শিকার না হওয়ার অনুরোধ করেন।

এদিন রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে ছাত্রদের বাধা দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই উত্তাপ প্রশমণ করতেই সোজা সেখানে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাত্রদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে একই ইস্যুতে বিক্ষোভ করছেন তিনিও। এই ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই মিলেনিয়াম পার্কে মোদীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মমতা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ