পূজা মণ্ডল, কলকাতা: ২০২১ – এর মধ্যে রেগুলেরাইজেশন করে দেওয়া হবে অ্যাপ্রুভড শিক্ষকদের, বিইসিইউটিএ (বেকুটা)-র রাজ্য কনভেনশনে এসে বললেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

রবিবার সল্টলেকের ওকাকুরা ভবনে অনুষ্ঠিত হয় বেঙ্গল এলিজিবেল কলেজ অ্যান্ড ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোশিয়েশনের প্রথম রাজ্য কনভেনশন। এদিন মূলত তাঁদের রেগুলারাইজেশনের প্রতিশ্রুতির দ্রুত রুপায়ন ও সরকারি আদেশ নামা প্রকাশ করে নেট, সেট, পিএইচডি উত্তীর্ণ অ্যাপ্রুভড পিটিটিএস ও সিডব্লুটিটিএস-এর সরাসরি অ্যাসিসটেনট প্রফেসর পদে নিয়োগ করার বিষয়টি নিয়েই আলোকপাত করা হয় মন্ত্রীর সামনে।

বেকুটার অন্তর্গত ৪০০ জন অ্যাপ্রুভড শিক্ষক রয়েছেন। যাদের চাকরির সময়সীমা অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসরদের মতই ৬০ বছর পর্যন্ত হলেও তারা তাঁদের মত সুযোগ সুবিধা পান না। ডিএ, পিএফ তো নেই, বেতনও তারা অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসরদের মত পান না। তাঁদের দাবি যোগ্য হয়েও বা দীর্ঘদিন অধ্যাপনার কাজটি নিষ্ঠা ভরে একই রকম ভাবে পালন করে এলেও কেন তারা এই সুবিধা পাবেন না!

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে আসেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষকরা তাঁদের যাবতীয় দাবি দাওয়া তুলে ধরেন তাঁর কাছে। সব শুনে অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়েই আশ্বাস দেন মন্ত্রী। বলেন ২০২১ – এর মধ্যে রেগুলারাইজেশন করে দেওয়া হবে অ্যাপ্রুভড শিক্ষকদের।

এদিন তিনি আরও যা যা বলেন:

  • উনি দায়িত্বে আসার পর ৩০% রেগুলারাইজ করেছেন
  • ৫৫ টা কলেজ হয়েছে সেখানে নিয়োগ হবে
  • আবেদনের বয়স ছিল ৩৭, তা বাড়িয়ে ৪০ বছর করে দেওয়া হয়েছে
  • যাদের পড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
  • যাদের যোগ্যতা আছে তারা ইন্টারভিউতে যাবেন এবং তাঁদেরও আলাদা সুবিধা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি ড. বিপ্লব মণ্ডল, রাজ্য কনভেনর বিশ্বনাথ মহাপাত্র, সহ সভাপতি নীলৎপল জানা, সহ সম্পাদক মিলন রায় প্রমুখ সহ জেলা থেকে আগত প্রায় ৩০০ জন সদস্য।