কলকাতা: এনআরসি, সিএএ-র বিরোধিতায় প্রতিবাদ মুখর সারা দেশের মানুষ। প্রতিবাদে সামিল বাংলাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই গণআন্দোলন গড়ে উঠেছে। সেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন বহু সাধারণ মানুষ। রানী রাসমণি রোডে চলছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের লাগাতার আন্দোলন।

সেই আন্দোলনে ইতিমধ্যেই যোগ দিয়েছেন শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বরাও। শুক্রবার ছাত্রদের আন্দোলনে যোগ দিয়ে পাশে থাকার বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এর আগেও তিনি ছাত্রদের পাশে থেকে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। নানা সময় ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও পড়ুয়াদের উৎসাহ দিয়েছেন নানা ভাবে।

শুক্রবার নিজের ফেসবুক দেওয়ালে পার্থ বাবু লেখেন, “NRC, NPR, CAA-এর বিরোধিতায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের লাগাতার আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে আজ রানী রাসমণি রোডের ধর্ণা মঞ্চে আবারও উপস্থিত হয়ে তাঁদের আপোষহীন সংগ্রামকে কুর্ণিশ জানালাম।” অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে আগামী দিনেও পড়ুয়াদের আন্দোলনে পাশে থাকবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

কেন্দ্রীয় সরকারের এই ‘অসাংবিধানিক’ সিদ্ধান্তে খুশি নন অনেকেই। বাংলার নানা জায়গায় প্রতিবাদ। শুক্রবার দুপুরে এনআরসি, সিএএ-র বিরোধিতা করে মিছিল বের করে নাট্যকর্মীদের একাংশ। মিছিলে হেঁটেছেন বিভাস চক্রবর্তী, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভাশিস মুখোপাধ্যায়, সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র বসু, পল্লব কীর্তনিয়া, নীল মুখোপাধ্যায়, অশোক মুখোপাধ্যায়, মেঘনাদ ভট্টাচার্য, চন্দন সেন প্রমুখ। যদিও তাঁদের মিছিলে কোনও দলীয় রং ছিল না।