স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মঙ্গলবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হেনস্থা নিয়ে চলতি সমস্যার সমাধান করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক সেরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, “অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের ইস্তফা না দেওয়ার অনুরোধ করেছি”।

এদিন বৈঠক সেরে জানান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। ছাত্রদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। শিক্ষা দফতর কোন অবস্থাতেই এই ধরণের অভিযোগ বরদাস্ত করতে পারে না। ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে কোনও রকম ভুল বোঝাবুঝি চলতে পারে না। শিক্ষকদের অপমান মেনে নেওয়া যায় না। উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলেছি। বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গেও কথা বলেছি। ৩ জন ডিনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। শিক্ষকরা যেন নিয়মিত ক্লাস নেন। উপস্থিতির বিষয়ে কোনও শিথিলতা থাকবে না। আমার সঙ্গে সকল শিক্ষকরা সহমত প্রকাশ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘‘সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি, উপাচার্য এ বিষয়ে একটা কমিটি তৈরি করেছেন। সেই কমিটি চলতি সমস্যার দ্রুত নিস্পত্তি করুক। রিপোর্ট পেশ করুক। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা যেন উচ্চে তোলা হয়।”

ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি। জানান, তাঁরা যেন দুঃখ প্রকাশ করে ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নেয়। তিনি বলেন, “আজ দেখলাম সরস্বতী দেবী আসেননি। তার তার সঙ্গে কথা বলা গেল না। উনি এলে আমি ওনার সঙ্গে কথা বলতাম। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলিয়ে দিতাম।”

সূত্রের খবর, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তাঁরা জানিয়েছে, তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণ করুক কমিটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।