স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপকদের জাত তুলে হেনস্থার কাণ্ডে ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা নাগাদ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছন ঘটনার তদন্ত করে দেখবার জন্য। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৈঠক।

প্রসঙ্গত, রবীন্দ্রভারতীতে তফসিলি উপজাতির এক শিক্ষিকা তথা ভূগোলের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধানকে জাত তুলে হেনস্থা করা হয়েছে, এমন অভিযোগ জানাজানি হতেই একসঙ্গে পদত্যাগ করেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন বিভাগীয় প্রধান। একই প্রতিবাদের পথে হেঁটে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি স্টাডি সেন্টারের অধিকর্তাও পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। চার জন শিক্ষককে হেনস্থার নতুন চারটি অভিযোগও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়েছে।

ঘটনার শিকার শিক্ষকদের অধিকাংশের সন্দেহ, তাঁদের হেনস্থার পিছনে কাজ করেছে জাতিগত বিদ্বেষ। সব মিলিয়ে ভূগোলের শিক্ষিকা সরস্বতী কেরকেটার জাত তুলে হেনস্থা হওয়ার অভিযোগকে ঘিরে রবীন্দ্রভারতীতে উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে মাঝেমধ্যে এমন ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে টালবাহানা করেন বলে দাবি করে সরব হয়েছেন শিক্ষকদের একটি বড় অংশ।

উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী অবশ্য কারও পদত্যাগপত্র এখনও পর্যন্ত গ্রহণ করেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি পদত্যাগী শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় বসতে চান বলে জানিয়ে ছিলেন। এরপর বহু শিক্ষক মুখ খুলতে শুরু করেন ঘটনায়। কালো ব্যাজ পরে উপাচার্যের দপ্তরে যান তাঁরা। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করে ক্যাম্পাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তির পাদদেশে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড-পোস্টার হাতেও প্রতিবাদ জানান।

এদিন শিক্ষা বিভাগের প্রধান ভারতী বন্দ্যোপাধ্যায়, সংস্কৃতের প্রধান অমলকুমার মণ্ডল, অর্থনীতির প্রধান বিন্দি সাউ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রধান বঙ্কিমচন্দ্র মণ্ডল পদত্যাগপত্র জমা করেন। অধ্যাপক আশিসকুমার দাস সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ এবং স্কুল অফ ল্যাঙ্গোয়েজেস অ্যান্ড কালচারের অধিকর্তা পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এছাড়াও চার অধ্যাপক ক্যাম্পাসে নানাভাবে হেনস্থা হওয়া, জাতি বিদ্বেষের মুখে পড়ার ঘটনায় অভিযোগ জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষকে। ভূগোলের ওই শিক্ষিকা-সহ অধ্যাপকদের একটা বড় অংশের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও কর্মী সংগঠনের বিরুদ্ধে। তাঁরা অবশ্য সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে।

উপাচার্য বলেন, ‘ওঁরা আমার দপ্তরে ওঁদের পদত্যাগপত্র জমা করেছেন। কিন্তু আমি গ্রহণ করিনি। ওঁরা যাতে পদত্যাগ না করেন সেই আবেদন আমি ওদের কাছে রেখেছি। তাছাড়া আমরা তথ্যানুসন্ধান কমিটি তৈরি করেছি। রির্পোট হাতে এলে যথাযথ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।