কলকাতা: রাজ্যপালের ডাকা ভার্চুয়াল বৈঠকে উপাচার্যদের গরহাজিরা নিয়ে রাজ্যপালের অভিযোগের জবাব দিলেন শিক্ষামন্ত্রী। বিধি মেনেই আচার্যের ডাকা বৈঠকে থাকেননি উপাচার্যরা, এমনই দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। রাজ্যপাল বিধি না পড়েই সংবাদমাধ্যমে অভিযোগ করছেন বলে দাবি শিক্ষামন্ত্রীর।

তাঁর ডাকা বুধবারের ভার্চুয়াল সভায় উপাচার্যরা উপস্থিত না হওয়ায় এদিন ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে দুষেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বৃহস্পতিবার বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ফের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সাংবাদিক বৈঠক থেকে একরাশ উদ্বেগও প্রকাশ করে এদিন রাজ্যপাল বলেছেন, ‘বাংলার শিক্ষার মান নেমে গিয়েছে।’ সেই সঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘উপাচার্যদের নিয়োগপত্র বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যপালের।’

রাজ্যপালের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যপাল সত্য বলছেন না বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘সত্যের অপলাপ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কথা বলছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালকে অসম্মান করার ইচ্ছা আমাদের নেই। তবে অসত্য বললে সত্যটা তুলে ধারা আমাদের কাজ।’

এদিন এর আগে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপালের দাবি ছিল, ‘উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকের কথা বললেও শোনেনি রাজ্য। তাঁর মতে দেশের কোনও রাজ্যে এমন পরিস্থিতি নেই। ১৫ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখি। কী করে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে রাজ্য প্রশাসন, প্রশ্ন তুলি চিঠিতে।’

রাজ্যপালের আরও অভিযোগ, ‘৬ মাস পরেও মুখ্যমন্ত্রী উত্তর দেওয়ার সময় পাননি। এই রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত। রাজনীতির ফাঁস ক্রমেই শিক্ষাব্যবস্থার উপর চেপে বসছে।’

পড়ুয়াদের নিয়ে রাজ্যপালের দুশ্চিন্তা প্রসঙ্গে তাঁকে কটাক্ষ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘মনে হচ্ছে রাজ্যপাল মায়াকান্না কাঁদছেন।’ রাজ্য সরকারই পড়ুয়াদের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেছে বলে দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা পিছনোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছি।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও