স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : চিটফান্ড কাণ্ডে শুক্রবার দুপুরে সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে আসেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে যান তিনি। সেই সময় সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী মেজাজ হারালেন।

সিবিআইয়ের তলব পেয়ে শুক্রবার দুপুর দুটো পনেরো নাগাদ সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে আসেন তৃণমূলের মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় । বিকেল ৫ টা ৫০ নাগাদ সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নে তিনি মেজাজ হারান। তাকে প্রশ্ন করা হয়, এতটা সময় লাগলো, কি জিজ্ঞাসাবাদ? তাতেই তিনি রেগে গিয়ে বলেন, এগুলোই তো তোমাদের বড় বড় প্রশ্ন। বলে না হাই কমান্ডে থাকলাম অনেকক্ষণ, আসলে বাথরুমে থাকলো।

তার আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ডাকেনি, আমাদের সংগঠনের ব্যাপারে ডেকেছিল, এসে কথা বলে গেলাম । সিবিআই সূত্রের খবর, জাগো বাংলা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে৷ তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলা ফান্ডে চিটফাণ্ডের বেশ কিছু টাকা ঢুকেছে৷ সেই নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে৷

একই কারণে এর আগে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে তলব করেছিল সিবিআই। জাগো বাংলার অ্যাকাউন্টে সারদার টাকা ঢুকল, তা নিয়েই ডেরেককে জেরা করা হয়েছে। ৯ অগাস্ট সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই অফিসে হাজিরা দিয়েছিলেন ডেরেক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।