নয়াদিল্লি : তথ্য ফাঁস হচ্ছে? বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বেশ কয়েকটি সংস্থাকে তলব করল কেন্দ্রের সংসদীয় প্যানেল। এই সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে টেলিকম অপারেটর সংস্থা জিও এবং এয়ারটেল, রয়েছে অনলাইন ক্যাব সংস্থা উবের ও ওলা। কেন্দ্রের জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি বুধবার এই সমন পাঠায়।

এই পার্লামেন্টারি কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন বিজেপির লোকসভা সাংসদ মীনাক্ষী লেখি। এই কমিটি বর্তমানে পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশান বিল. ২০২০ নিয়ে কাজ করছে। এই সংস্থাগুলিকে পাঠানো নোটিশে বলা হয়েছে চৌঠা নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিকে পাঠাতে হবে পার্লামেন্টারি কমিটির সামনে। দুটি সাক্ষাত করতে হবে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সহ।

ওলা ও উবেরের প্রতিনিধিদের চৌঠা নভেম্বরের মধ্য দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ারটেল ও ট্রুকলারের প্রতিনিধিদের ৬ই নভেম্বরের মধ্য দেখা করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এদের প্রত্যেককেই পৃথকভাবে দেখা করতে হবে খবর।

এর আগে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির মুখোমুখি হন ফেসবুক ইন্ডিয়ার তৎকালীন পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর আঁখি দাস। সংসদীয় কমিটি তাকে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। বিজ্ঞাপন ব্যবসা বা নির্বাচনের মত বিষয়গুলিতে কোনরকম অনুমানমূলক উদ্দেশ্যে ফেসবুক নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করা যাবে না তাদের জানানো হয়। এছাড়া একাধিক সা়ংসদ এই সংস্থার কত আয় এবং কত কর দিতে হয় ইত্যাদি তথ্য জানতে চায়।

প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই এদেশে ফেসবুকের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। কারণ বিদেশি সংবাদপত্রে প্রতিবেদন বের হয়ে ছিল ব্যবসায়িক স্বার্থে ফেসবুক ভারতে বিজেপি নেতাদের উস্কানিমূলক পোষ্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সেজন্য এই আঁখি দাসের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল তখন। ওই খবর জানাজানি হওয়ার পর কংগ্রেস সহ বিরোধীরা এই ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়। এই নিয়ে়ে যৌথ সংসদীয়় কমিটি গঠনের দাবি উঠেছিল।

এদিকে, পার্লামেন্টারি কমিটির মুখোমুখি হয়েছেন ট্যুইটার ও আমাজনের শীর্ষ প্রতিনিধিরাও। ২৯শে অক্টোবর এই কমিটির সামনে বসছেন গুগল ও পেটিএম কর্তারা।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।