নয়াদিল্লি: ভারতে করোনা ভ্যাক্সিন নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। ইতিমধ্যেই ভারত বায়োটেক নামে একটি সংস্থা মানব শরীরে ট্রায়ালের অনুমোদন পেয়েছে। আইসিএমআর-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে তারা। অন্যদিকে, আমেদাবাদের একটি সংস্থাতেও চলছে ভ্যাক্সিন তৈরির কাজ। কিন্তু ঠিক কবে আসবে ভ্যাক্সিন?

সম্প্রতি আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর জেনারেলের এ্কটি চিঠিতে ১৫ অগস্টের ডেডলাইন উল্লেখ করা হয়েছিল। তার বিরোধিতা করেন বিশেষজ্ঞরা। এবার কেন্দ্রের সংসদীয় কমিটি জানতে চাইল যে ঠিক কবে বাজারে আসবে ভ্যাক্সিন।

শুধু ট্রায়াল নয়, ভারতে বাণিজ্যিকভাবে ভ্যাক্সিন কবে আসবে অর্থাৎ কবে বাজারজাত হবে, তা নিয়েই প্রশ্ন করা হয়েছিল। তার উত্তরে সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ভ্যাক্সিন বাজারে বিক্রি করতে অন্তত ১২ মাস সময় লাগবে।

শুক্রবারের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকা এক সদস্য বলেন, ‘জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ঠিক কতদিন লাগতে পারে ভ্যাক্সিন আসতে। তার উত্তরে সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সবকিছু সঠিকভাবে চললে ভ্যাক্সিন আসতে সময় লাগবে ১২ মাস।’ এও জানানো হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে বাছাই করে কিছু মানুষকে এই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে। পরে সাধারণ মানুষকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে।

শুক্রবার এই সংক্রান্ত এই বৈঠক ছিল। সেখানে সরকারি উপদেষ্টাদের তরফে সাংসদদের জানানো হয়েছে যে ভারত ভ্যাক্সিন ও জেনেরিক মেডিসিনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে। তাই বিশ্ব জুড়ে ভ্যাক্সিনের জন্য যে দৌড় চলছে, তাতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে।

এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘বিশ্বের ৬০ শতাংশ প্রতিষেধক তৈরি হয়েছে ভারতে। তাই ভারত আগামিদিনে ভ্যাক্সিন তৈরির ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা নেবে বলে আশা করা যায়।’

এদিন রামদেবের তৈরি করা করোনিল নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অনেকেই এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। যদিও বিজ্ঞান সংক্রান্ত কমিটি এই বিষয়ে কোনও উত্তর দেয়নি।

ভারত বায়োটেক ভ্যাক্সিন তৈরি করার অনুমোদন পেয়েছে ইতিমধ্যে। জানা যাচ্ছে, প্রাথমিকভাবে ১১০০ জনের শরীরে এই প্রতিষেধক পরীক্ষা হবে।

১৩ জুলাইয়ের মধ্যে এনরোলমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। ফেজ ওয়ানের ফলাফল সামনে আসলে পরের ধাপে পরীক্ষা হবে। ১২টি ইনস্টিটিউট বেছে নেওয়া হয়েছে ট্রায়ালের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লি ও পাটনার এইমস।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ