নয়াদিল্লি: সংসদ ভবনের ক্যান্টিনে এমপি ও অন্যদের ভর্তুকি শেষ হওয়ার পরে এখন নতুন ভাবে প্রকাশ করা হল খাবারের মেনুর দাম। লোকসভা সচিবালয় একটি নতুন লিস্ট সামনে এনেছে। এতে থাকছে মাত্র ৩ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকা পর্যন্ত খাবার সামগ্রী। সংসদীয় ক্যান্টিনের নতুন দামের এই তালিকাটি ২৯ জানুয়ারি থেকে বাজেটের অধিবেশন চলাকালীন কার্যকর করা হয়েছে। অর্থাৎ এই অধিবেশনে এমপিরা নতুন হারের তালিকার ভিত্তিতে খাবার পাবেন।

এতে সবচেয়ে সস্তায় মাত্র ৩ টাকাতে রয়েছে রুটি। সবচেয়ে ব্যয়বহুল অর্ডার করা যাবে ৭০০ টাকার নন-ভেজ বুফে লাঞ্চ। এ ছাড়া ভেজ বুফে লাঞ্চের দাম রাখা হয়েছে ৫০০ টাকা। ভেজের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ব্যয়বহুল।

আরও পড়ুন – বাগবাজারের পুড়ে যাওয়া বস্তি বাসিন্দাদের আত্মরক্ষার পাঠ দিচ্ছেন ক্যারাটে প্রশিক্ষক

এর আগে পুরোনো তালিকায় একটি রুটির দাম ছিল ২ টাকা। হায়দরাবাদি বিরিয়ানির দাম ছিল ৬৫ টাকা। এছাড়া আগে আলু বান্দা ছিল ৬ টাকা, ১০ টাকায় মিলত ধোসা। তবে সেসবই এখন অতীত।

নতুন হারের তালিকা অনুসারে চিকেন বিরিয়ানি, চিকেন কাটলেট, চিকেন ফ্রাই এবং ভেজ থালির দাম হয়েছে ১০০ টাকা। চিকেন কারির দাম রাখা হয়েছে ৭৫ টাকা। মটন বিরিয়ানি এবং মটন কাটলেট-এর জন্য দেড়শ টাকা দিতে হবে। মটন কারির জন্য দিতে হবে ১২৫ টাকা।

আরও পড়ুন – মান হুঁশ তৈরির খরচ ২টাকা, ‘সদাই ফকিরের পাঠশালা’র কারিগর পাচ্ছেন পদ্মশ্রী

সংসদ ভবনের ক্যান্টিনের খাদ্য সামগ্রীর বার্ষিক বিল আসে প্রায় ২০ কোটি টাকা। এছাড়া উত্তর রেলের পরিবর্তে সংসদের ক্যান্টিন এখন চালাবে ভারতের ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন (আইটিডিসি)।

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সংসদের ক্যান্টিনে খাবারে ভর্তুকি বন্ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এতে ক্যান্টিনের খাবার ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে তা আগেই বলা হয়েছিল, কিন্তু এরফলে কয়েক কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। অন্যদিকে নতুন দাম বাজারদরের থেকে তুলনামূলক হারে অনেক কম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।