প্যারিস: দূষণ প্রতিরোধে ভারতের পথে হাঁটছে ফ্রান্স। প্যারিসে এবার থেকে প্রতি রবিবার পালিত হবে ‘কার ফ্রি’ দিবস। প্যারিসের মেয়র অ্যানে হিডালগো জানিয়েছেন, “যে কোনও মূল্যে দূষণ প্রতিরোধ করাই আমাদের লক্ষ্য। তাই ‘কার ফ্রি’ দিবস পালনের পরিকল্পনা।” দু’মাস বাদেই প্যারিসে আয়োজিত হতে চলেছে জলবায়ু সংক্রান্ত বিশ্ব সম্মেলন। মনে করা হচ্ছে ওই সম্মেলনের আগে প্যারিস সরকারের এটি একটি বড় উদ্যোগ।

প্রাইভেট কার ছেড়ে মঙ্গলে চলবেই পাবলিক গাড়ি!

গাড়িবিহীন রাস্তায় গন্তব্যের পথে শহরবাসী

‘কার ফ্রি’ দিবস পালনের আগে এদিন সাইকেলচালকদের জন্য একটি নতুন এভিনিউ, শাম্প দ্য আইলের উদ্বোধন করা হয়। ব্রাজিলের সাও-পাওলো, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস এবং ব্রিটেনের ব্রিস্টল শহর, এই তিন শহরের মেয়র এদিন প্যারিসে উপস্থিত ছিলেন। তবে এটাই প্রথম নয়, কিছুদিন আগে প্যারিস প্রশাসনের এক সমীক্ষায় উঠে আসে, প্যারিসের একটি বড় অংশের দূষণ ঘটছে গাড়ির ধোঁয়ার জন্য৷ তার পরেই প্যারিস প্রশাসন যান হিসাবে সাইকেল ব্যবহারের উপর জোর দেয়। এমনকী, তৈরি করা হয় সাইকেল লেন।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের মঙ্গলবার গুরগাঁওতে একদিনের জন্য ‘কার ফ্রি ডে’ পালিত হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।