স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লকডাউনে স্কুল বন্ধ থাকলেও বেশ কিছুক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ফি নেওয়া হচ্ছে। গোটা রাজ্য জুড়ে বেসরকারি স্কুলগুলির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠছে। ফি ইস্যুতে প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও স্কুলের গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অভিভাবকরা। নিরুপায় হয়ে এবার তাঁরা এব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ চাইলেন তাঁরা।

অভিভাবকের বক্তব্য, গত তিন মাস ধরে স্কুল বন্ধ। তারপরও কেন বিদ্যুৎ, কম্পিউটার, লাইব্রেরি ইত্যাদি খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে? করোনা পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবকের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। শুধুমাত্র টিউশন ফি ছাড়া আপাতত অন্য কোনও খাতে তাঁদের পক্ষে টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

অভিভাবক সংগঠন ইউনাইটেড গার্ডিয়ান্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক সাংবাদিক বৈঠক করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীকে ফি সংক্রান্ত বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করার আর্জি জানানো হয়েছে। সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে এই সংগঠন।

উল্লেখ্য, ফি নিয়ে প্রতিদিনই কোনও না কোনও বেসরকারি স্কুলের গেটের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অভিভাবকরা।

গত কয়েকদিন ধরেই ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে রানীকুঠির জি ডি বিড়লা স্কুলে অভিভাকদের বিক্ষোভ চলছে। স্কুলের গেটে অবস্থানে করছেন অভিভাকরা। স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি কোনও কর্মীকে। অভিভাকদের দাবি, ফি কাঠামো নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসতে চাইছেন না। এই নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, ফি বাড়ানো নিয়ে বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষগুলির উদ্দেশ্যে অনেক আগেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, যেসব বেসরকারি স্কুলগুলি অতিরিক্ত বেতন নিচ্ছে, খুব শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু সরকারি নির্দেশকে যে বেসরকারি স্কুলগুলো কার্যত বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে, অভিভাবকদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশেই তা পরিষ্কার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ