নয়াদিল্লি: শিক্ষার চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা। সেই কারণেই করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার আগে স্কুল খুলুক, তা চাইছেন না অধিকাংশ অভিভাবক। ইতিমধ্যেই এই মর্মে কেন্দ্রের কাছে একটা পিটিশনও জমা পড়েছে।

গোটা দেশে যতদিন পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসছে অথবা যতদিন পর্যন্ত বা করোনার টিকা আবিষ্কার না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত যেন স্কুল খোলা না হয়। অনলাইনে জমা দেওয়া এই পিটিশনে সই করেছে ২ লক্ষেরও বেশি অভিভাবক।

নোভেল করোনাভাইরাসের চোখ-রাঙানি শুরু হতেই গত ১৬ মার্চ থেকে দেশজুড়ে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। স্কুল চালু নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেই স্কুল-কলেজ খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জায়িনেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে আপাতত ৩০ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রয়েছে। তারপর ঠিক কবে স্কুল,কলেজ চালু হবে তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েই গিয়েছে। বেসরকারি স্কুলগুলিতে অনলাইন পদ্ধতিতে ক্লাস চলছে। তবে এক্ষেত্রে সমস্যা পড়তে হচ্ছে সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের।

দেশে চলছে আনলক. ১ তৎপরতা। তবে করোনার সংক্রমণে বিরাম নেই। শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১৭১ জন। মৃত্যু হয়েছে ২০৪ জনের। দেশে এই মুহূর্তে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭০৬। মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৮ জনের।

গোটা বিশ্বে নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণের নিরিখে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। ভারতে এক সপ্তাহে নতুন করে আক্রান্ত ৫০ হাজার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষায় ভারত করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে ইতালির পরেই বিশ্বের মধ্যে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব