ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অবশেষে আন্দোলনের স্বীকৃতি দিল আদালত৷ বিকাশ ভবন থেকে ১০০ মিটার দূরে ধরনা ও অবস্থানে বসার অনুমতি পেলেন মাত্র ৩০০ জন পার্শ্ব শিক্ষক-শিক্ষিকা। বাকিদের সেন্ট্রাল পার্কের কাছে বিধান চন্দ্র রায়ের মূর্তির কাছে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে বলা হয়েছে৷ রবিবার বিশেষ বেঞ্চ বসিয়ে এই অনুমতি দিয়েছে আদালত। তবে পার্শ্বশিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের অনুরোধ জানানো হয়েছে৷ আদালত জানিয়েছে, সোমবার থেকে ধরনা শুরু করতে পারেন পার্শ্বশিক্ষকরা৷

রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে কর্মরত পার্শ্বশিক্ষকদের একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন চলছে দীর্ঘদিন। উল্লেখ্য, চলতি মাসের প্রথম দিকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন পার্শ্বশিক্ষকরা৷ কিন্তু সেখান থেকে কোনও সমাধানসূত্র বেরোয়নি৷

তারপরই তারা শান্তিপূর্নভাবে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেন৷ বিধাননগর পুলিশ আইনশৃঙ্খলার দোহাই দিয়ে অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি দিচ্ছিল না। বাধ্য হয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ধাক্কা খেলেও পরে ডিভিশন বেঞ্চে তাদের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে৷ শিক্ষকদের ন্যায্য দাবিদাওয়াগুলো সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য এজিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ বুধবার ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে৷ তারমধ্যে কোনওভাবেই শিক্ষকদের উপর বলপ্রয়োগ করতে পারবে না পুলিশ৷

এদিন রাজ্যের আইনজীবী অর্ক নাগ বলেন, ‘ওখানে বিকাশ ভবন ও জলসম্পদ ভবন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর রয়েছে। রয়েছে হাসপাতালও। তাই ওখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। ফলে পার্শ্বশিক্ষকদের অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি।’ এই কথা শুনে বিচারপতি বসাক প্রশ্ন করেন, বিকাশ ভবনের গেট থেকে ১৫০ ফুট দূরে সমাবেশ হলে অসুবিধা কোথায়? এভাবে ১৪৪ ধারার অজুহাতে কোনও সমাবেশ আটকানো যায় না।

১১ নভেম্বর থেকে টানা ৭দিন ধরনা অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পার্শ্বশিক্ষকরা। এদিন আদালতের রায়ের পর পার্শ্বশিক্ষক আন্দোলনের নেত্রী মধুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ওইদিন থেকেই সভা হবে। সভা করার গণতান্ত্রিক অধিকার তা বাতিল করে দিয়েছিল পুলিশ। আমরা চেয়েছিলাম বিকাশভবন থেকে ১০০মিটারের মধ্যে সভা করতে দিতে হবে। যতদিন সভা চলবে ততদিনই অনুমতি দিতে হবে। আমাদের এই আর্জি মেনে আদালত পুলিশ প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।