নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স(সিআরপিএফ) তাদের কোবরা কমান্ডো বাহিনীতে মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে৷ বৃহস্পতিবার একথা জানান কোবরা প্রধান এপি মহেশ্বরী৷ এই বাহিনী জঙ্গল যুদ্ধে বিশেষ পারদর্শী হয়ে থাকে৷

২০০৯ সালে সিআরপিএফ-এর অধীনে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে কমান্ডো ব্যাটেলিয়ন ফর রেজলিউশন অ্যাকশন (কোবরা)-এর ১০টি ইউনিট গঠিত হয়৷ এই দশটি ইউনিটে ১২ হাজার সদস্য রয়েছে৷ এদিন রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদিক বৈঠকে মহেশ্বরী বলেন, আমরা কোবরা বাহিনীতে মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছি।

বেশিরভাগ কোবরা দল নক্সাল অধ্যুষিত রাজ্যে মোতায়েন রয়েছে এবং কয়েকটি দল উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে জঙ্গি দমন অভিযানের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। কোবরা ইউনিটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য মানসিক ও শারীরিক ভাবে কঠোর মানদণ্ড পেরতে হয়৷

১৯৮৬ সালে সিআরপিএফের প্রথম মহিলা ব্যাটালিয়ন গঠিত হওয়ার পর থেকেই মহিলা সদস্য ছিল। বাহিনীর বর্তমানে এই ধরনের ছয়টি ইউনিট রয়েছে। এই বাহিনীতে প্রায় ৩.২৫ লক্ষ সৈনিক রয়েছে এবং এটি দেশের বৃহত্তম আধা-সামরিক বাহিনী। এটি অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল। মহিলা সদস্য নিয়োগের বিষয়ে সিআরপিএফ কী সিদ্ধান্ত নেবে তা কেবল সময়ই বলতে পারে৷

এদিন মহেশ্বরী বলেন, ‘‘আমরা বাহিনীতে মহিলা সদস্য নেওয়ার পক্ষে৷’’ প্রসঙ্গত, গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে সেনাবাহিনীতে মহিলাদের স্থায়ী ভাবে নিয়োগের ব্যবস্থা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। শুধু তাই নয়, শর্ট সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) আওতায় যে সমস্ত মহিলা ১৪ বছরের বেশি সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন, তাঁদের স্থায়ী কমিশনে শামিল করতেও কেন্দ্রকে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।