স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বেতন পরিকাঠামোর পূণর্গঠনের দাবি তুলে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রক্ত দিয়ে চিঠি লিখলেন পার্শ্বশিক্ষকরা৷ ঐক্য মঞ্চে উপস্থিত ১২জন একসঙ্গে এই চিঠি দিয়েছেন। বিধাননগর থেকে তা রবিবারই পোস্ট করা হবে।

সল্টলেকে বিকাশভবনের অদূরে বিধাননগর মেলামাঠ সংলগ্ন ফুটপাতে দিনরাত ব্যাপী লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচিতে বসেছে পার্শ্বশিক্ষক ঐক্য মঞ্চ৷ নবান্ন অভিযান কর্মসূচি, অনশন, পুলিশি হেনস্তা অভিযোগ, অবস্থান বিক্ষোভের এসবের পর এবার নিজেদের রক্ত দিয়ে চিঠি লিখলেন আন্দোলনকারীরা। চিঠিতে কেউ লিখেছেন ‘দিদি আমাদের বাঁচান’, তো কারও কাগজ লাল হয়েছে ‘ভাতা নয়, দিদি বেতন চাই’ বার্তায়। আবার কারও দাবি, ‘দিদি, বেতন কাঠামো দিন।’ ‘দিদি, আমার পরিবারকে রক্ষা করুন’ও লেখা রক্ত দিয়ে।তাঁদের দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তাঁরা।

পার্শ্বশিক্ষকদের অভিযোগ, সেখানে কোনও টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। মহিলাদের অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। অবস্থান মঞ্চে তীব্র জলাভাব। পানীয় জলটুকুও কিনে খেতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি এই করোনার সময় স্যানিটাইজেশনের কোনও ব্যবস্থা না থাকায় শারীরিক নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েছেন মঞ্চে অবস্থানকারী কয়েকশো পার্শ্বশিক্ষক এবং শিক্ষিকা।উল্লেখ্য, বেতন কাঠামো পুনর্গঠন–সহ একাধিক দাবি নিয়ে কদিন আগেই নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন পার্শ্বশিক্ষকরা। নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার হয় ময়দান চত্বরে।

এদিকে চলতি মাসেই আত্মঘাতী হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের পার্শ্বশিক্ষক দুলাল চন্দ্র দে (৫০)। পার্শ্বশিক্ষকদের সংগঠনের পক্ষে ভগীরথ ঘোষ বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ধীরে ধীরে পার্শ্বশিক্ষকদের স্থায়ীকরণ ও বেতনক্রমে আনার আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। আমাদের সহকর্মীরা ২৮ দিন ধরে বিকাশ ভবনের সামনে সুবিচারের দাবিতে অবস্থান করছেন। সরকারের তাতে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই।’

 ভগীরথ ঘোষের আক্ষেপ, পার্শ্বশিক্ষকরা বেতনের নামে যে টাকা পান তাতে সংসার চলে না। প্রাথমিকে ৮,৮০০ টাকা ও উচ্চ প্রাথমিকে ১১,৩০০ টাকা মেলে। এতে এই বাজারে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো মুশকিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।