সুজয় পাল, কলকাতা: জাল নোট তৈরি এখন বাঁ-হাতের খেল৷ চাইলেই খোলাবাজার থেকে কাগজ কিনে এনে তৈরি করে নেওয়া যায় নকল নোট৷পাচারকারীদের মুখে এমন কথা শুনে তো চক্ষু ছানাবড়া কলকাতা পুলিশের দুঁদে গোয়েন্দাদের৷

সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা জাল নোট পাচার চক্রে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করেন৷ মহম্মদ মাজিদ নামে ওই অভিযুক্তকে জেরা করে সন্ধান মেলে আরও একজনের৷ যে আবার এই চক্রের মূল হোতা৷ ওয়াসিম আহমেদ নামে বছর ৪৩-এর ওই যুবককে এলাহাবাদের কারেলি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ আর তাকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে৷

আরও পড়ুন: বেশি কমিশনের ‘টোপে’ই ভারতে বাজিমাত বাংলাদেশী জাল নোটের

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জেরায় অভিযুক্তরা জানিয়েছে যে প্রথমে তারা স্ক্যানার ব্যবহার করে নোট স্ক্যান করে নিত৷ তার পর খোলাবাজার থেকেই কিনে আনত কাগজ৷ তার পর ওই কাগজ ব্যবহার করে প্রিন্ট আউট নেওয়া হত৷ আর তৈরি হয়ে যেত নকল নোট৷ তার পর সেই নোট ছড়িয়ে দেওয়া হত বিভিন্ন জায়গায়৷ ওয়াসিম আহমেদের অধীনেই এই পাচারকারীরা কাজ করত৷ তারাই গোটা দেশে জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার প্রধান ভূমিকা নিত বলে জেরায় জানতে পেরেছে পুলিশ৷

আর এই তথ্য শুনেই অবাক হয়ে গিয়েছেন গোয়েন্দারা৷ কারণ, যে জাল নোট উদ্ধার হয় ওই দু’জনকে গ্রেফতারের সময়৷ তার কাগজের গুণমান দেখে গোয়েন্দাদের ধারণা হয়, ওই কাগজ বাইরে থেকে কিনে আনা হচ্ছে৷ কিন্তু অভিযুক্তদের দাবি, খোলাবাজর থেকেই তারা ওই কাগজ কিনত৷ আর এই দাবি সঠিক হলে, তা যথেষ্ট চিন্তার কারণ বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা৷ এভাবে যদি যে কারও হাতে ওই কাগজ পৌঁছে যায়, তাহলে যে কেউ এই কাজ করতে পারবে৷ তাতে অপরাধের প্রবণতা আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা৷

আরও পড়ুন: এলাহাবাদ থেকে গ্রেফতার আন্তঃরাজ্য জাল নোট চক্রের পান্ডা

যদিও এই ঘটনা প্রথম থেকেই অবাক করেছে গোয়েন্দারা৷ জেরায় অভিযুক্তদের কাছ তথ্য বের করতে বেশি পরিশ্রম করতে হয়নি গোয়েন্দাদের৷ বরং সবকিছুই তারা গড় গড় করে বলেছে বলেই লালবাজার সূত্রে খবর৷ সেই জেরা থেকেও উঠে এসেছিল চাঞ্চল্যকর সব তথ্য৷ ফলে এই ঘটনায় তদন্ত যত এগোবে, আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে আসবে বলেই মনে করছে পুলিশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।