স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: এটিএম থেকে নোটের বদলে বেরল ব্রাউন পেপার। হাওড়ার বালির একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএমে এই তাজ্জব ঘটনাটি ঘটেছে।

মঙ্গলবার রাতে বালি বাজারের ওই এটিএম থেকে মোট ৬ হাজার টাকা তুলতে এসেছিলেন বিজয়কুমার পাণ্ডে নামে এক গ্রাহক। তাঁর দাবি, এটিএম কার্ডটি মেশিনে সোয়াইপ করার পর মেশিন থেকে বের হয় দু’টি ২ হাজার টাকার নোট ও একটি ব্রাউন পেপার (নোটের চাইতে ছোট আকারের)।

আরও পড়ুন: গুজবের কবলে বাংলাদেশ, শিক্ষিতমহলও শিকার

এমন ঘটনা দেখে বিজয়বাবু খুবই আশ্চর্য হয়ে যান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য গ্রাহক ও এটিএমের নিরাপত্তা কর্মীকে গোটা বিষয়টি জানান। এরপর বুধবার সকালে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বালি থানাতেও তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। ব্যাংক বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

বিজয়বাবু জানান, এটিএম থেকে টাকা তোলার জন্য কার্ড সোয়াইপ করার পর সেখানে নোটের বদলে ব্রাউন পেপার বের হয়েছে এরকম ঘটনা আগে কখনও শোনেননি। এমন ঘটনার সাক্ষী কখনও হননি।

আরও পড়ুন: একশো’র দোরগোড়ায় শহরের যে পুজোগুলি

তিনি বলেন, ‘‘মঙ্গলবার রাতে অফিস থেকে ফেরার পথে এটিএমে টাকা তুলতে এসেছিলাম। প্রথমে ভুল পিন নম্বর দেওয়ার জন্য এটিএম থেকে একটা স্লিপ বের হয়। এরপর সঠিক পিন নম্বর দিয়ে উইথড্রল করি ৬ হাজার টাকা। সেই সময় দুটি দু’হাজার টাকার নোট ও একটি ব্রাউন পেপার বেরিয়ে আসে। মোবাইলে এসএমএস চলে আসে ৬ হাজার টাকা ডেবিট হয়েছে।’’

তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই এটিএমে টাকা তুলতে আসা অন্য একজনকে বিষয়টি জানান৷ সঙ্গে সঙ্গে ওই এটিএমের সিকিউরিটি গার্ডকেও বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, ‘‘এটিএমের একটি ডায়েরিতে আমি লিখিত অভিযোগ জানাই। সিকিউরিটি গার্ড আমাকে বলেন যে আগামিকাল সকাল ১০টায় আমি যেন ব্যাংকে এসে অভিযোগ জানাই। এরপর আমি থানাতে গেলে তারা বলে যে আগে ব্যাংকে গিয়ে অভিযোগ জানান। সেই মতো আমি সকালে ব্যাংকে ও থানায় যাই। তবে এরকম ঘটনা এর আগে ঘটেনি।’’

আরও পড়ুন: এটিএম প্রতারণার গ্রেফতার আরও দু’জন

তাঁর অভিযোগ, মেশিন এর মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবেই এই ধরনের কাগজ ইনপুট করা হয়েছে। না হলে এটিএম থেকে কখনো নোটের বদলে কাগজ বের হতে পারে না।

এদিকে, সুদীপ সরকার নামে ব্যাংকের অন্য এক গ্রাহক বলেন, ‘‘ওই ভদ্রলোকের মোট ৪ হাজার টাকা বেরিয়েছিল। দু’টি ২ হাজার টাকা এবং একটি ব্রাউন পেপার। এরকমভাবে যদি ব্যাংক এর তরফ থেকে প্রত্যেককে হেনস্থা হতে হয় এটা খুবই দুর্ভাগ্যের ব্যাপার।’’

আরও পড়ুন: আড়াই বছরের সন্তান রেখে চলে গেলেন শহিদ মেজর রানে

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।