আমদাবাদ: সাম্প্রতিক সময়ে তিনি যেন ভারতীয় ব্যাটিং লাইন-আপের ‘মুশকিল আসান’। অস্ট্রেলিয়া সফরে সিডনি এবং ব্রিসবেনে পন্তের ইনিংস এখনও টাটকা দেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের মনে। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে একটিবার শতরানের কাছাকাছি পৌঁছে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। দেশের মাটিতে তিন তিনবার নয়ের ঘরে পৌঁছে আউট হওয়া ঋষভ পন্ত অবশেষে ঘরের মাঠে শতরানের খরা কাটালেন। মোতেরায় চতুর্থ টেস্টে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের ঝকঝকে শতরানেই চালকের আসনে টিম ইন্ডিয়া।

চতুর্থ টেস্টের দ্বিতীয়দিন মোতেরায় কেরিয়ারের তৃতীয় শতরানটি হাঁকালেন পন্ত। দেশের মাটিতে এটাই প্রথম। ১১৮ বলে ১০১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে পন্ত আউট হলেও ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের রান টপকে তখন অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ১৪৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় পড়ে যাওয়া ভারতের ব্যাটিং লাইন-আপ সাহারা পেল পন্ত-ওয়াশিংটনের মূল্যবান জুটিতে। সপ্তম উইকেটে ১১৩ রান যোগ করলেন দু’জনে। অর্ধশতরান হাঁকালেন ওয়াশিংটন সুন্দরও। তবে চর্চার শিরনামে পন্তের শতরান।

উল্লেখ্য, ২০১৮ ওভালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই কেরিয়ারের প্রথম টেস্ট শতরানটি করেছিলেন পন্ত। এদিন দিনের তৃতীয় সেশনে ইংরেজ অধিনায়ক জো রুটকে ছক্কা হাঁকিয়ে দেশের মাটিতে প্রথম তিন অঙ্কের রানে পৌঁছন পন্ত। এদিন ২০২১ প্রথম শতরানটি হাঁকিয়ে চলতি বছরে সর্বাধিক টেস্ট রান সংগ্রহের নিরিখে রোহিত শর্মাকে টপকে গেলেন পন্ত। ৬টি টেস্টে ৫১৫ রান সংগ্রহ করে আপাতত দ্বিতীয়স্থানে তিনি। প্রথমস্থানে অবশ্যই জো রুট। ৬টি টেস্টে রুটের সংগ্রহে ৭৬৪ রান।

এদিন বেকায়দায় পড়ে যাওয়া টিম ইন্ডিয়া মূলত পন্তের ব্যাটেই প্রথম ইনিংসে বড়সড় লিড নেওয়ার দিকে এগিয়ে যায়। সঙ্গে অর্ধশতরান করে যোগ্য সঙ্গত দেন ওয়াশিংটন। এর আগে দিনের প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারানো টিম ইন্ডিয়াকে লড়াইয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন রোহিত-পন্ত জুটি। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে অর্ধশতরান থেকে মাত্র এক রান দূরে দাঁড়িয়ে আউট হয়ে ফেরেন ‘হিটম্যান’।

দ্বিতীয়দিনের শেষে প্রথম ইনিংসে একশো রানের লিড নেওয়ার খুব কাছে টিম ইন্ডিয়া। এই প্রতিবেদন লেখা অবধি ৭ উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ ২৯৪ রান। ক্রিজে ৬০ রানে অপরাজিত ওয়াশিংটন সুন্দর। সঙ্গী অক্ষর প্যাটেল অপরাজিত ১১ রানে। পন্তের ১০১ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ১৩টি চার এবং ২টি ছয়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।