স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যে সব রাজ্য সরকারি কর্মীরা অবসর নিয়েছেন তাঁদের আপাতত প্রভিশনাল বা অস্থায়ী পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি এই মর্মে অর্থ দফতরের পেনশন বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

লকডাউন চলাকালীন দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল সমস্ত সরকারি অফিস। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও সকলে এখনও পর্যন্ত দফতরে যেতে পারছেন না। এই অবস্থায় অবসরপ্রাপ্তরা প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারছেন না। তাই ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ এবং ‘ডি’ শ্রেণিভুক্ত অবসরগ্রহণকারী সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা চালু হল।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চূড়ান্ত হিসেব কষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেনশন-নথি এজি-র কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে ছাড়পত্র নিয়ে মূল পেনশন দিতে শুরু করবে সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও কর্মীর অবসর নেওয়ার ছ’মাস আগে থেকে তাঁর পেনশন-প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। বিভাগীয় প্রধানদের কাছ থেকে নথি পেয়ে সরকারের পেনশন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ তা পাঠান এজি বেঙ্গলে।

সেখান থেকে সবুজ সঙ্কেত মিললে পেনশন শুরুর ছাড়পত্র দেয় অর্থ দফতর। কিন্তু এবার লকডাউনের জন্য কয়েক মাস এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এজি-র কাছে নথি যাওয়ার আগেই প্রভিশনাল পেনশনের মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর পেনশন শুরু হয়ে যাবে।

তৃণমূল প্রভাবিত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বায়ক সৌম্য বিশ্বাস বলেন, “সময়মতো পেনশন চালু হবে কি না, সেই বিষয়ে অনেকেই একটা অনিশ্চয়তায় মধ্যে ছিলেন। অস্থায়ী ব্যবস্থায় হয়তো পুরো পেনশন পাওয়া যাবে না। সরকারের এই মানবিক সিদ্ধান্তের ফলে এখন আর কাউকে পেনশনহীন অবস্থায় এক মাসও থাকতে হবে না।”

ফাইল ছবি

ইতিমধ্যে অস্থায়ী পেনশন দেওয়ার জন্যে সমস্ত প্রক্রিয়াও প্রশাসনিক স্তরে শুরু হয়ে গিয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। খুব শীঘ্রই এই অস্থায়ী পেনশন লকডাউনের মধ্যে যারা অবসর নিয়েছেন তাঁদের অ্যাকাউন্টে পড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ