তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: শাসকদলের ‘ঘর ভাঙা’র ঘটনা অব্যাহত বাঁকুড়ার। এবার জোড়া ফুল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম নাম লেখালেন ওন্দার কল্যানী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান সহ ছয় সদস্য। ফলে ৯ সদস্যের এই গ্রাম পঞ্চায়েতটিও হাত ছাড়া হলো শাসক দলের।

সোমবার সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন তৃণমূল প্রধান রীণা শর্মা সহ ছ’জন সদস্য বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক অমর নাথ শাখার হাত ধরে তাদের দলে যোগ দিলেন। যদিও এখনো পর্যন্ত ঐ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তৃণমূলে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি, বিধায়ক অরুপ খাঁ এর ‘খাসতালুক’ হিসেবে পরিচিত ওন্দা ব্লক এলাকায় একের পর এক পঞ্চায়েত হাত ছাড়া হওয়ায় বেজায় অস্বস্তিতিতে শাসক শিবির। যদিও এই নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছুই বলতে চাইছেননা। প্রসঙ্গত, এর আগে এই ব্লকের রতনপুর, নাকাইজুড়ি, চুড়ামনিপুর, কাঁটাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতেথ সিংহভাগ তৃণমূল সদস্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এবার নবতম সংযোজন কল্যানী গ্রাম পঞ্চায়েত।

তৃণমূলত্যাগী এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ ছয় সদস্য জানিয়েছেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ও মোদিজীর ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েই তারা প্রত্যেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। প্রধান রীণা শর্মা বলেন, এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সেই বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েই নরেন্দ্র মোদির মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েই বিজেপিতে যোগ দিলাম।

বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক অমরনাথ শাখা স্পষ্টতই বলেন, ২০১১ সালে তৃণমূল যে ‘ট্রেলার’ দেখিয়েছিল, আমরাও সেই ট্রেলার দেখাতে শুরু করেছি। অন্যান্য গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিও যাতে তাদের দখলে আসে সে চেষ্টা জারি থাকবে। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অরুপ খাঁকে ‘বালি মাফিয়া’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরো বলেন, ওনার এই এলাকায় কোন অস্তিত্ব নেই। যে জাহাজ ডুবছে সে কোন দিন উঠবে না বলেও তিনি দাবী করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ