ফাইল ছবি

জলপাইগুড়ি:  লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে গেরুয়া ঝড়। এক ধাক্কায় বাংলায় লোকসভা আসন ১৯টিতে পৌঁছে যায় বিজেপির। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায় বাংলার একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। যা কিনা যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ পড়ে শাসকদল তৃণমূলের কপালে। বাংলায় বিজেপির এহেন ফলাফল সামনে আসার পরেই তৃণমূল থেকে বহু বিধায়ক বিজেপির হাত ধরে। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের হাত ছাড়া হয় বহু পঞ্চায়েত, পুরসভাও।

যদিও সময় ঘুরতেই পালটা বিজেপিকে কৌশলী চাল শাসকদল তৃণমূলের। একের পর এক হাতছাড়া হওয়া পুরসভাগুলিকে ফের নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে আসে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু তাই নয়, হাতছাড়া হওয়া পঞ্চায়েতগুলিকেও ফের বিজেপির হাত থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছে শাসকদল। ফলে ফের একবার একের পর এক পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে আসছে। তেমন সোমবার নিশিগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত ফের পুনর্দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের হাত থেকে নিশিগঞ্জ ১ গ্রাম পঞ্চায়েতটি ছিনিয়ে নিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু সময় ঘুরতেই ফের সেটি নিজেদের দখলে নিল তৃণমূল।

জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর নিশিগঞ্জ ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানসহ ১১ জন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপিতে যোগ দিলে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে চলে যায়। এদিন রাজ্যের মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতা মোসলেম মিয়াঁ, মোজাফ্ফর রহমান প্রমুখের উপস্থিতিতে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নিরঞ্জন দাস সহ পঞ্চায়েত সদস্যরা ফের তৃণমূলে যোগ দেন। আর তাদের যোগদানের পরেই এই পঞ্চায়েতটি বিজেপির হাতছাড়া হল।

রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ বর্মণ জানিয়েছেন, মানুষ এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের পক্ষেই রয়েছে। ভুল বুঝিয়ে সবাইকে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানে সবাই হাঁপিয়ে উঠেছিল। আর তাই দলেই ফিরলেন তাঁরা। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, পুলিশ-প্রশাসনের ভয় দেখানো হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। আর এভাবেই বিজেপিকে ভাঙানোর খেলা তৃণমূল শুরু করেছে বলে দাবি স্থানীয় নেতৃত্বের। তবে মানুষ এর জবাব আগামিদিনে ভোট বাক্সে দেবে বলেই জানিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।