বাড়ি সাজানোর ক্ষেত্রে প্রতিদিন বাজারে আসছে নিত্য নতুন জিনিস। তবে শুধুমাত্র আধুনিক জিনিস বা কারখানায় তৈরি দ্রব্য দিয়েই যে বাড়ি সাজানো হচ্ছে, এমনটা ভাবনা কিন্তু আসলেই ভুল। আধুনিক সময়ে ঘর সাজাতে এক দারুণ উপযোগী আইটেম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে লাইভ প্লান্ট। অর্থাৎ সবুজ গাছ।

এই গাছগুলি হয় মূলত সমস্ত ইনডোর প্লান্ট। যেগুলি ঘরের মধ্যে বাঁচে। সূর্যের আলোর খুব একটা প্রয়োজন পড়ে না। এরমধ্যে বেশিরভাগ আবার রয়েছে ক্যাকটাস জাতীয়। ফলে জলের খুব একটা প্রয়োজন পড়ে না।

আরও পড়ুন – বাড়ি বসে আয় হবে টাকা, পোস্ট অফিসে সেরা কয়েকটি স্কিম

অনেকে আবার নানান লম্বা গাছকেও বাড়িতে এনে ডাইনিং বা ড্রইং রুমে রাখেন। সবুজ আসলে আমাদের চোখকে শান্তি দেয়। একই সঙ্গে সবুজে মানসিক শান্তি লাভ হয়। ঘরের কোনও এক কোনায় এই গাছ রাখা যেতে পারে।

গাছ বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাম গাছ অক্সিজেনের পক্ষে খুব উপকারী। সেক্ষেত্রে অনেকেই এই গাছকে বাড়িতে নিয়ে রাখেন। বিশেষ করে বাড়ির ব্যালকনিতে এই প্লান্ট রাখেন বহু মানুষ।

 

অন্যদিকে অফিস টেবিল বা বারান্দার ভিতরের দিকের কার্নিশ অথবা বড় বারান্দায় ক্যাকটাস কিন্তু যথেষ্ট জনপ্রিয়। এই গাছগুলিকে বাঁচানো যেহেতু অপেক্ষাকৃত কম শ্রমসাধ্য তাই এই গাছগুলিকেই বেছে নেন বহু মানুষ।

আরও পড়ুন – ইঞ্জেকশান আর নয়, পরের সপ্তাহে ট্রায়াল শুরু ন্যাসাল করোনা টিকার

এক্ষেত্রে অনেকে ঘরের মধ্যে রাখেন লাকি বাম্বু প্লান্ট। এগুলিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে ধরা হয়। বাজারে চড়া দামে বিক্রি হলেও এগাছ অনেকেই কিনে আনেন। সাধারণত এগাছ বেঁচে থাকার জন্য জল আলো বাতাস জরুরি। ফলে ঘরের যে স্থানে আলো প্রবেশ করতে পারে সেখানেই রাখা হয় এই গাছ।

ঘরের শোভা বাড়াতে গাছ অত্যন্ত কার্যকরী, এরই পাশাপাশি গাছ দিয়ে ঘর সাজাবার প্রবণতা স্বাস্থ্যকরও বটে। তাই আর দেরি নয়। পছন্দের ঘরকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলতে আজই কিনে ফেলুন নানা ধরনের গাছ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।